Advertisement

যুদ্ধে এবার টার্গেট ইন্টারনেট? ইরানের এক পদক্ষেপেই ধসে যেতে পারে বিশ্ব

ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। একাধিক দেশ এখন জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে। এবার আশঙ্কা, সমুদ্রের নীচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলগুলিও কি ইরানের টার্গেট হতে পারে?

হরমুজ প্রণালীর নীচের তার কেটে দিতে পারে ইরান?হরমুজ প্রণালীর নীচের তার কেটে দিতে পারে ইরান?
Aajtak Bangla
  • তেহরান,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:36 PM IST
  • নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে।
  • সমুদ্রের নীচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলগুলিও কি ইরানের টার্গেট হতে পারে?
  • হরমুজ প্রণালী ও বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর নীচে রয়েছে বিশ্ব ইন্টারনেটের অন্যতম পরিকাঠামো সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেবল।

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান বনাম আমেরিকা ও ইজরায়েলের যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে গড়াল। যুদ্ধের এই পরিস্থিতিতে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট কানেকশন নিয়ে। ইতিমধ্যেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। একাধিক দেশ এখন জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে। এবার আশঙ্কা, সমুদ্রের নীচে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেট কেবলগুলিও কি ইরানের টার্গেট হতে পারে?

তবে শুধুমাত্র হরমুজ প্রণালী নয়, লোহিত সাগরের বাব-এল-মান্দেব প্রণালী নিয়েও দেখা দিয়েছে উত্তেজনা। ইয়েমেনের সশস্ত্র হুথি গোষ্ঠী সেখানে জাহাজে হামলা চালাচ্ছে। ফলে এই রাস্তাও বাণিজ্যজাহাজগুলির কাছে আর নিরাপদ নয়। 

আবার হরমুজ প্রণালী ও বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর নীচে রয়েছে বিশ্ব ইন্টারনেটের অন্যতম পরিকাঠামো সাবমেরিন ফাইবার অপটিক কেবল। এই কেবলগুলির মাধ্যমেই ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার মধ্যে অধিকাংশ ডেটা আদানপ্রদান হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালী মিলিয়ে অন্তত ২০টির বেশি গুরুত্বপূর্ণ কেবল এই অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গিয়েছে।

পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় থাকা AAE-1, FALCON, গালফ ব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এবং টাটা-TGN গালফ কেবলগুলি ভারতের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট কানেকশনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে এই কেবলগুলির কোনও ক্ষতি হলে তার প্রভাব ভারতেও পড়তে পারে।

গালফ অঞ্চলে ইতিমধ্যেই বড় টেক কোম্পানিগুলি বিপুল বিনিয়োগ করেছে। এই ডেটা সেন্টারগুলিকে ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার সঙ্গে যুক্ত রাখার প্রধান মাধ্যম এই কেবলগুলিই। কিন্তু বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কেবল মেরামতের কাজ কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে মেরামতির জাহাজ ওই এলাকায় প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে উঠেছে।

এর আগে ২০২৪ সালে হুথি গোষ্ঠীর হামলায় লোহিত সাগরের কয়েকটি কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তখন এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেটের গতি কমে গিয়েছিল। পরিষেবা স্বাভাবিক করতে কয়েক মাস সময় লেগেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি হরমুজ ও বাব-এল-মান্দেব—এই দুই পথই একসঙ্গে অচল হয়ে পড়ে, তবে তা বিশ্বব্যাপী বড় ধরনের ডিজিটাল বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ইন্টারনেট পরিষেবা, ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা, শেয়ার বাজার, হাসপাতাল এবং AI নির্ভর পরিষেবাগুলিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement