Advertisement

US-Iran Ceasefire China role: পাকিস্তান নয়, ইরান যুদ্ধবিরতির নেপথ্যে এই দেশ, প্ল্যানটা কী ছিল?

ইরানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে। আর এই যুদ্ধবিরতির পিছনে যে চিনের হাত রয়েছে, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, চিনের চেষ্টা ছাড়া এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হতো না। আর ট্রাম্পের এই দাবির ফলেই পরিষ্কার যে পাকিস্তান নয়, চিনের হস্তক্ষেপেই খেলা ঘুরে গিয়েছে। 

আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতিতে চিনের ভূমিকাআমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতিতে চিনের ভূমিকা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:38 PM IST
  • ইরানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে
  • সেটা জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • চিনের চেষ্টা ছাড়া এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হতো না

ইরানে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে। আর এই যুদ্ধবিরতির পিছনে যে চিনের হাত রয়েছে, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, চিনের চেষ্টা ছাড়া এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হতো না। আর ট্রাম্পের এই দাবির ফলেই পরিষ্কার যে পাকিস্তান নয়, চিনের হস্তক্ষেপেই খেলা ঘুরে গিয়েছে। 

রিপোর্ট অনুযায়ী, সরসারি এই বিষয়ে মাথা গলায়নি চিন। বরং পিছন থেকে কূটনীতির চাল দিয়েছে। পাকিস্তান, চিন এবং মিশরের মধ্যমেই ইরানকে বার্তা দিয়েছে চিন। এই সময়ের মধ্যে ড্রাগনের দেশ ইরানকে বুঝিয়েছে যে এই যুদ্ধে সবপক্ষেরই ক্ষতি। এতে যেমন ইরান সমস্যায় পড়বে, ঠিক তেমনই সারা বিশ্বের অর্থনীতিও ভেঙে পড়বে। 

যদিও, চিন এই বিষয়টা সরকারিভাবে স্বীকার করেনি। এই পরিস্থিতিতে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং সব পক্ষকে 'দায়িত্বপূর্ণ আচরণ' করার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি এই সংঘর্ষ যত দ্রুত সম্ভব মিটিয়ে দেওয়ার দিয়েছে পরামর্শ। তিনি আরও জানান, এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে, তাহলে পৃথিবীর অর্থনীতির বিরাট ক্ষতি হতে পারে। 

হরমুজে চিনকে সমর্থন দিয়েছে চিন
হরমুজ নিয়ে চিনের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে যায় যুদ্ধবিরতির ঠিক আগে। তারা রাশিয়ার সঙ্গে মিলে রাষ্ট্রসঙ্ঘে হরমুজ বিষয়ে ভেটো দান করেন।

রাষ্ট্রসঙ্গে একাধিক দেশ দাবি করে, বিশ্বের অধিকাংশ দেশের উচিত হরমুজ থেকে নিরাপদে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করা। আর সেই ইস্যুতে ভেটো দেয় চিন এবং রাশিয়া। 

এই ভেটোর কড়া নিন্দা করে আমেরিকা। তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, রাশিয়া এবং চিন তলেতলে ইরানের পক্ষ নিয়েছে। এখন সরাসরি পাশে দাঁড়াচ্ছে। 

যদিও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ইস্যুতে দুই রকম চাল দিয়েছে চিন। প্রথমত, তারা আমেরিকা বিরোধীতা চালিয়ে গিয়েছে। অপরদিকে তারা শান্তি বজায় রাখার প্রয়াসও করে গিয়েছে। তারা নিজেদেরকে দায়িত্বশীল বিশ্ব শক্তি হিসেবে তুলে ধরতে চেয়েছে। 

পাকিস্তান কী দাবি করে? 
মাথায় রাখতে হবে, এই যুদ্ধবিরতির নেপথ্যে পাকিস্তানের কিছুটা হলেও হাত রয়েছে। ট্রাম্প জানিয়ে দেন যে, পাকিস্তানের মাধ্যমেই ইরান এবং আমেরিকার মধ্যে শান্তি স্থাপন হয়েছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের দাবি, এটা জলের একবারের উপরের অংশ। এর নীচে রয়েছে চিনের কারসাজি। চিনের চেষ্টাতেই এই যুদ্ধবিরতি সম্ভব হয়েছে। 

Advertisement

আদৌ শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে তো? 
আপাতত যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে। তবে সম্পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। সেই নিয়ে আলোচনা চলবে। তারপরই সম্পূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে বলে ঘোষণা হবে। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement