Advertisement

Crude Oil Price Hike: ইরান যুদ্ধ, অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বাড়ল, দামি হবে পেট্রোল, ডিজেল?

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে বাড়তেই থাকছে তেলের দাম। আর সোমবারও এই ট্রেন্ড ভাঙল না। বরং ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সেরে দাম ব্যারেল প্রতি বেড়েছে ৩.০৯ ডলার। এটি ২.৭৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ১১৫.৬৬ ডলারে। আর অপরিশোধিত তেলের এহেন দাম বৃদ্ধির পিছনে যেমন ইরান বনাম ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ রয়েছে। ঠিক তেমনই ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিদেরও রয়েছে হাত। 

অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধিঅপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 30 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:20 AM IST
  • আর এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে বাড়তেই থাকছে তেলের দাম
  • সোমবারও এই ট্রেন্ড ভাঙল না
  • ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সেরে দাম ব্যারেল প্রতি বেড়েছে ৩.০৯ ডলার

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ চলছে। আর এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে বাড়তেই থাকছে তেলের দাম। আর সোমবারও এই ট্রেন্ড ভাঙল না। বরং ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সেরে দাম ব্যারেল প্রতি বেড়েছে ৩.০৯ ডলার। এটি ২.৭৪ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে গিয়েছে ১১৫.৬৬ ডলারে। আর অপরিশোধিত তেলের এহেন দাম বৃদ্ধির পিছনে যেমন ইরান বনাম ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ রয়েছে। ঠিক তেমনই ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিদেরও রয়েছে হাত। 

আসলে শুক্রবার ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা প্রথমবারের জন্য ইজরায়েলে হামলা চালায়। যার ফলে হু হু করে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। 


ও দিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) তেলের দাম দামও ব্যারেল প্রতি ২.৯২ ডলার বেড়েছে। এটি ২.৯৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন এর দাম পৌঁছে গিয়েছে ব্যারেল প্রতি ১০২.৫৬ ডলার। আর এর আগের সেশনে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫.৫ শতাংশ বেড়েছিল।

আর বিশ্ববাজারে তেলের দামের এহেন বৃদ্ধির ফলে ভয় বাড়ছে ভারতের। এর ফলে দেশের বাজারেও পেট্রোল, ডিজেলের দাম বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর তেলের দাম বাড়ার অর্থ হল মুদ্রস্ফীতি। সেই সঙ্গে ধীরে হয়ে যেতে পারে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি।

সরকার শুল্ক কমিয়েছে
তেলের দামকে বেঁধে রাখার জন্য ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। নরেন্দ্র মোদী সরকারের পক্ষ থেকে কমান হয়েছে শুল্ক। এক্ষেত্রে পেট্রোল এবং ডিজেল, দুইক্ষেত্রেই ১০ টাকা করে অন্তঃশুল্ক কমানো হয়েছে।  

এক্ষেত্রে পেট্রোলের অন্তঃশুল্ক ১৩ টাকা থেকে কমিয়ে ৩ টাকা করা হয়েছে। আর ডিজিলের ক্ষেত্রে তা শূন্যে নামান হয়েছে। 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, জ্বালানির দাম বাড়ায় বিরাট ক্ষতির মুখে পড়ছিল তেল সংস্থাগুলি। তাদের কিছুটা রেহাই দিতেই এত বড় সিদ্ধান্ত নিল ভারত সরকার। এর ফলে তেল সংস্থগুলির ক্ষতি কিছু হলেও লাঘব হবে। 

এছাড়া এই শুল্ক ছাড়ের মাধ্যমে দেশের বাজারে হুট করে তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও কিছুটা কমাল সরকার। যার ফলে সাধারণ মানুষের পকেটেও কিছুটা টাকা বাঁচল। 

Advertisement

কঠিন পরিস্থিতি
ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি জানিয়েছেন, কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী। করোনার মতো পরিস্থিতি। তাই সকলকে একত্রিত হয়ে কাজ করতে হবে। তাহলেই এই কঠিন সময় পেরিয়ে যাওয়া যাবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement