Advertisement

Donald Trump diet: ট্রাম্প বার্গার, পিত্‍জা, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইতে ডুবে থাকেন, 'বিচিত্র' লাইফস্টাইল ফাঁস হল হোয়াইট হাউস থেকেই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শৃঙ্খলা, শক্তি ও সহনশীলতার কথা যতই বলুন না কেন, সফরে বেরোলেই তাঁর খাদ্যাভ্যাস একেবারে অন্য রকম হয়ে যায়। সোজা ফাস্ট ফুডে ঝোঁক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।-ফাইল ছবিমার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 14 Jan 2026,
  • अपडेटेड 12:28 PM IST
  • মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শৃঙ্খলা, শক্তি ও সহনশীলতার কথা যতই বলুন না কেন, সফরে বেরোলেই তাঁর খাদ্যাভ্যাস একেবারে অন্য রকম হয়ে যায়।
  • সোজা ফাস্ট ফুডে ঝোঁক।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শৃঙ্খলা, শক্তি ও সহনশীলতার কথা যতই বলুন না কেন, সফরে বেরোলেই তাঁর খাদ্যাভ্যাস একেবারে অন্য রকম হয়ে যায়। সোজা ফাস্ট ফুডে ঝোঁক। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এই তথ্যই প্রকাশ করেছেন মার্কিন স্বাস্থ্য সচিব রবার্ট এফ. কেনেডি জুনিয়র। কেটি মিলারের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি ট্রাম্পের খাবারদাবার নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা একদিকে যেমন চমকপ্রদ, তেমনই কিছুটা রসিকতাও মেশানো।

কেনেডির কথায়, হোয়াইট হাউস বা মার-এ-লাগোতে থাকলে ট্রাম্প তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর খাবার খান। কিন্তু সফরে বেরোলেই ছবিটা বদলে যায়। 'যাঁরা তাঁর সঙ্গে ভ্রমণ করেন, তাঁদের অনেকেরই মনে হয়, তিনি যেন সারাদিন নিজেকে বিষ খাইয়ে চলেছেন,' হাসতে হাসতে বলেন কেনেডি। তাঁর ব্যাখ্যা, অসুস্থতা এড়াতে ট্রাম্প ভ্রমণের সময় পরিচিত এবং নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডের খাবারই বেছে নেন। ম্যাকডোনাল্ডসের মতো বড় কর্পোরেট ব্র্যান্ডের খাবারের ওপর তাঁর ভরসা বেশি।

এই খাদ্যাভ্যাস সত্ত্বেও ট্রাম্পের শারীরিক সক্ষমতা দেখে কেনেডি নিজেও বিস্মিত। 'ওর মধ্যে যেন দেবতার মতো গঠন আছে,' মন্তব্য তাঁর। 'আমি সত্যিই জানি না, এমন ডায়েট নিয়েও সে কীভাবে টিকে আছে, তবু সে দিব্যি আছে।' ট্রাম্পের এনার্জি লেভেলের প্রশংসা করে কেনেডি তাঁকে 'আমাদের মধ্যে দেখা সবচেয়ে উদ্যমী মানুষদের একজন' বলেও উল্লেখ করেন।

এদিকে বয়স ও স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ট্রাম্প নিজেও। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়েছেন। জনসমক্ষে তাঁকে কখনও তন্দ্রাচ্ছন্ন দেখানো বা হাতে মেকআপের দাগ নিয়ে ওঠা প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ক্যামেরার ভুল মুহূর্তই এসব বিভ্রান্তির কারণ। 'ওরা চোখের পলক ফেললেই ছবি তুলে ফেলে,' তাঁর দাবি।

৭৯ বছর বয়সি ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হলে বয়স হবে ৮২। ফলে ইতিহাসের অন্যতম বয়স্ক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে তিনি। তবুও হোয়াইট হাউসের তরফে বারবার জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক মেডিক্যাল পরীক্ষায় তাঁর শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা পুরোপুরি সন্তোষজনক। সব বিতর্কের মাঝেও ট্রাম্প যে এখনও নিজেকে যথেষ্ট সক্ষম মনে করেন, সেটাই বারবার স্পষ্ট করে দিচ্ছেন তিনি।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement