Advertisement

Donald Trump Ali Khamenei: ইরানে হামলা চালিয়ে খামেনেইকে হত্যা করতে চান ট্রাম্প? বিস্ফোরক রিপোর্ট

প্রকাশ্যে এসেছে একটি সাড়া ফেলে দেওয়া রিপোর্ট। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ইরানে হামলা চালিয়ে তিনি হত্যা করে ফেলতে পারেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই ও তাঁর পুত্রকে।

Aajtak Bangla
  • ওয়াশিংটন ,
  • 21 Feb 2026,
  • अपडेटेड 1:18 PM IST
  • ইরানে বড়সড় হামলা চালাবেন ট্রাম্প?
  • হত্যা করবেন খামেনেইকে?
  • রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনেইকে হত্যার প্রস্তাব এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদন। প্রশাসনিক সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, একটি সম্ভাব্য পরিকল্পনায় আয়াতোল্লাহ, তাঁর ছেলেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তবে এই পরিকল্পনা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেই উল্লেখ রয়েছে সেই প্রতিবেদনে। 

ট্রাম্পের এক উচ্চপদস্থ উপদেষ্টা বলেন, 'প্রেসিডেন্ট এখনও হামলার সিদ্ধান্ত নেননি। আমরা এখনও কোনও আঘাত করিনি, এটাই তার প্রমাণ। তিনি হয়তো করবেনও না। আবার হয়তো কাল সকালে উঠে বলতে পারেন, এবার যথেষ্ট হয়েছে। এতে বোঝা যায়, বিষয়টি নিয়ে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে।'

আরও একটি সূত্র জানাচ্ছে, খামেনেই এবং তাঁর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা কয়েক সপ্তাহ আগেই ট্রাম্পের সামনে তোলা হয়েছিল। অর্থাৎ এই সম্ভাবনাটি কিছুদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে। ট্রাম্প ইচ্ছাকৃতভাবেই কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রাখছেন এবং যে কোনও সময়ে হামলার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। 

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি নির্দিষ্ট সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, 'মিডিয়া প্রেসিডেন্টের ভাবনা নিয়ে যত খুশি অনুমান করতে পারে কিন্তু কী করবেন আর কী করবেন না, তা কেবল খোদ ট্রাম্পই জানেন।'

ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর সরাসরি হামলা হলে তা ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনার নাটকীয় মোড় তৈরি করবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার উপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে, তা বলাই চলে।

আরব সাগরে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোনও সময় দুই দেশের মধ্যে সংঘাত শুরু হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখৎন কঠোর হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তখন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই পিছু হটতে রাজি নন। 

দুই দেশ পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে দু'দফা আলোচনা করেছে। পরমাণু বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে উভয় পক্ষের এখনও ভিন্ন মতামত রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

সূত্রের খবর, ট্রাম্প প্রশাসন এমন একটি প্রস্তাব বিবেচনা করছে যা ইরানকে খুব সীমিত স্তরে পরমাণু ক্ষমতা বাড়ানো এবং পরিচালনার অনুমতি দিতে পারে। থাকবে শর্তও। এক ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান যদি সুনির্দিষ্ট এবং প্রযুক্তিগত ভাবে বিশ্বাসযোগ্য গ্যারান্টি দেয় তবে আমেরিকা এই বিকল্প বেছে নেবে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement