Advertisement

Venezuela Gold Reserves : তেল শুধু নয়, সোনার খনির উপর বসে ভেনেজুয়েলা; সেগুলোও দখল করতে চান ট্রাম্প?

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী-কে বন্দি করেছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে জানিয়েছেন, তাঁরা ভেনেজুয়েলার তেলের খনিগুলোতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে। তারপর থেকে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

সোনার খনিও আছে ভেনেজুয়েলায় সোনার খনিও আছে ভেনেজুয়েলায়
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 06 Jan 2026,
  • अपडेटेड 6:34 PM IST
  • ভেনেজুয়েলায় রয়েছে সোনার ভাণ্ডার
  • সেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশে রয়েছে বনাঞ্চল ও সমভূমি

প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী-কে বন্দি করেছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে জানিয়েছেন, তাঁরা ভেনেজুয়েলার তেলের খনিগুলোতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে। তারপর থেকে বিশ্বের জ্বালানি বাজারে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। এভাবে একটা স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপতিকে বন্দি করা যায় কি? কেনই বা ভেনেজুয়েলার মতো অন্য দেশের খনিজ সম্পদে হাত দেওয়ার চেষ্টা করছে মার্কিন সরকার? এমন অনেক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে শুধু তেলের খনি নয়, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, সোনার খনিও রয়েছে সেই দেশে। আর তার দিকেও হয়তো হাত বাড়াবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

সোনার খনিতে বসে ভেনেজুয়েলা : ভেনেজুয়েলায় রয়েছে সোনার ভাণ্ডার। সেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিশাল অংশে রয়েছে বনাঞ্চল ও সমভূমি। সেই সব এলাকার মাটির তলায় রয়েছে হলুদ ধাতু। এর নাম পাললিক সোনা। 

নদী, সমভূমি বা বনাঞ্চলের নিচে জমা থাকে এই পাললিক সোনা। তা শিলা ক্ষয় হয়ে জলস্রোতের মাধ্যমে বাহিত ও সঞ্চিত হয়। খনিগুলো সাধারণত নদী বা স্রোতের তলদেশে থাকে। প্যানিং পদ্বতির মাধ্যমে তা উত্তোলন করা হয়।

এই দেশের গায়ানা শিল্ডে Archean Imataca Complex gneisses এবং Proterozoic greenstone belt রয়েছে। সেখানে সোনা মজুত রয়েছে। সবমিলিয়ে উত্তোলনযোগ্য সোনার পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার টন। মেটাভলক্যানিক এবং মেটাসেডিমেন্ট শিলাস্তরে ২০০টিরও বেশি সোনার খনির সন্ধান মিলেছে এখনও পর্যন্ত। এছাড়াও বলিভারে 'চোকো ১০'-এর মতো অঞ্চল রয়েছে। সেখানে বিপুল সোনা মজুত রয়েছে। এই সোনা অত্যন্ত দামি। উত্তোলন করার পর যার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ বিশুদ্ধ থাকে।  

এছাড়াও ভেনেজুয়েলার গায়ানা শিল্ডে টিন, টাংস্টেন, ট্যানটালাম এবং বিরল  ধাতু মজুত রয়েছে। সেই দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি হুগো শ্যাভেজ ঘোষণা করেছিলেন, ভেনেজুয়েলার কাছে এই Blue Gold-এর খনি রয়েছে। সেজন্য ওই এলাকায় ১৫,০০০ রক্ষী মোতায়েন করেছিলেন। শ্যাভেজের মৃত্যুর তিন বছর পর, তাঁর উত্তরসূরী নিকোলাস অরিনোকো মাইনিং জোন অধ্যাদেশ স্বাক্ষর করেন। 

Advertisement

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি, মাদুরোকে তাঁর বন্দি করার উদ্দেশ্য হল ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও তেলের উপর নিয়ন্ত্রণ। কিন্তু আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, তেলের খনির পাশাপাশি সোনার খনিও দখল করতে চাইছেন ট্রাম্প।  

Read more!
Advertisement
Advertisement