Advertisement

Donald Trump: ট্রাম্প 'শক্তের ভক্ত', ইরানের হুমকি পেয়েই সুর নরম হয়ে গেল, কী বলছেন এখন?

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে প্রাণঘাতী হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। গুলি কোনওমতেই লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না বলে থ্রেট করা হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। যদিও আচমকাই সুর নরম ট্রাম্পের। তিনি বলেন, 'ইরান হত্যা বন্ধ করেছে। কোনও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হচ্ছে না।'

Aajtak Bangla
  • ওয়াশিংটন ,
  • 15 Jan 2026,
  • अपडेटेड 8:57 AM IST
  • আচমকাই সুর নরম ট্রাম্পের
  • বললেন, 'ইরান হত্যা বন্ধ করেছে'
  • প্রাণঘাতী হামলার হুমকি ইরানের

দিনের পর দিন হুমকি ও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার মধ্যে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হঠাৎ সুর নরম। তিনি বলেছেন, 'ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে।' গত কয়েকদিন ধরে উত্তেজক মন্তব্য এবং সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়ার পর ট্রাম্পের এই পরিবর্তন কেন, তা নিয়ে কাটাছেঁড়া ব্যস্ত আন্তর্জাতিক মহল। 

এদিকে, ট্রাম্প সুর নরম করলেও ইরানের জাতীয় সংবাদমাধ্যমে সম্প্রচারিত একটি বার্তায় আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে সরাসরি হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই সম্প্রচারে ২০২৪ সালের একটি নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের উপর গুলি চালানোর চেষ্টার দৃশ্যও ব্যবহার করা হয়েছে। পেনসেলভানিয়ার বাটলার শহরে অনুষ্ঠিত ট্রাম্পের সেই নির্বাচনী সমাবেশের ছবিটি দেখানো হয়, যেখানে তাঁর কান ছুয়ে যাওয়া গুলি তিনি রক্তাক্ত হন। সঙ্গে ভেসে ওঠে বার্তা, 'এবার আর লক্ষ্যভ্রষ্ট হবে না গুলি।' এই হুমকি নতুন করে আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সংঘাত তীব্রতর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে। 

একদিকে, ২৬ বছর বয়সী ইরানি বিক্ষোভকারী এরফান সোলতানির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এক সপ্তাহেরও কম সময় আটক হওয়ার পর তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'আমায় জানানো হয়েছে, বিক্ষোভ সংক্রান্ত হত্যা এবং পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড বন্ধ রাখা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, 'আমার কাছে কিছু তথ্য এসেছে, হত্যা বন্ধ হয়েছে। ফাঁসি কার্যকর করা হচ্ছে না। মৃত্যুদণ্ড হবে না।' বুধবার গভীর রাতে নরওয়ে-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেঙ্গাও অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়েছে।

যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। আমেরিকা-ইরান সংঘাত আরও বাড়তে পারে, এমন আশঙ্কায় কাতারের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি থেকে কিছু কর্মী প্রত্যাহার করা শুরু হয়েছে। 

অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত ফাঁসির পরিকল্পনার কথা অস্বীকার করেছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'ফাঁসির কোনও পরিকল্পনা নেই।' তাঁর বক্তব্যের পাল্টা ইরানের বিচার বিভাগ ভিন্ন বার্তা দিয়েছে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, বিচার বিভাগের শীর্ষ আধিকারিকরা বিক্ষোভের মাঝে আটক ব্যক্তিদের বিচার দ্রুত শেষ করার কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি-এজেই বলেন, 'যদি কোনও কাজ করতে চাই তাহলে এখনই করতে হবে। ২-৩ মাস পর করলে তার আর প্রভাব থাকবে না।' মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, বিক্ষোভের সময় এখন পর্যন্ত ১৮ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে।

Advertisement

হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, দমন-পীড়নে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যা ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানে সবচেয়ে ভয়াবহ পর্বের ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement