
বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস। স্থানীয় মিডিয়া এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে জানা যাচ্ছে, এই শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় চালানো হয়েছে এয়ারস্ট্রাইক। আর এই আক্রমণের পিছনে আমেরিকার হাত রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যদিও ভেনেজুয়েলা বা আমেরিকা, কোনও পক্ষই এই বিস্ফোরণ নিয়ে মুখ খোলেনি। তাই নিশ্চিত করে সত্যিই কিছু বলা যাচ্ছে না।
যতদূর খবর, এই বিস্ফোরণের জন্য শহরের বিদ্যুৎ যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। এমনকী শহরের একাধিক রাস্তা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত। যার ফলে যান চলাচলও ব্যাহত হয়েছে। আর এই বিস্ফোরণ তখনই ঘটল যখন আমেরিকা এবং ভেনেজুয়েলার মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চরমে উঠেছে। তাই অনেকেই মনে করছেন এই বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাত।
স্থানীয় সময় ভোর ১টা ৫০ মিনিটে এই বিস্ফোরণ ঘটে। সংবাদ মাধ্যম CNN জানিয়েছে যে একটা বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে তার তীব্রতায় ঘরবাড়ির জানলা পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। আর বিস্ফোরণের পর থেকেই শহরের একাধিক জায়গায় বিদ্যুৎ নেই। রাস্তা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত।
ইতিমধ্যেই একটি ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে শহরের রাতের আকাশ ধুঁয়োয় ভরে গিয়েছে। সেই ধোঁয়ার নীচে কিছু একটা জ্বলছে।
ট্রাম্প আগেই হুমকি দিয়েছিল
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার ভেনেজুয়ালাকে আক্রমণ করার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, আমেরিকায় ড্রাগ পাচার করে ভেনিজুয়েলা। সেটা দ্রুত বন্ধ করতে হবে। নইলে যখন-তখন আক্রমণ হতে পারে।
এই তো অক্টোবর মাসেই ট্রাম্প জানান যে ভেনেজুয়েলার ভিতরে অপারেশন চালাতে পারে সিআইএ। ড্রাগ পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতেই সেটা করা হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। আর এ সবের মাঝেই ভেনেজুয়েলায় হামলা হল। এর পিছনে ট্রাম্পেরই হাত দেখছেন অনেকে। যদিও এই বিষয়ে কোনও পক্ষই এখনও মুখ খোলেনি।