Advertisement

Donald Trump On Greenland : গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার অংশ দেখিয়ে মানচিত্র প্রকাশ, ট্রাম্পকে ঘিরে বিরাট শোরগোল

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্য়ে 'সংঘাত' আরও বাড়ল। এবারও কারণ সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি করেছেন। সেখানে গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের দেশের অংশ হিসেবে দেখিয়েছেন।

ট্রাম্পের দাবি ঘিরে শোরগোল ট্রাম্পের দাবি ঘিরে শোরগোল
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 20 Jan 2026,
  • अपडेटेड 9:36 PM IST
  • গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্য়ে 'সংঘাত' আরও বাড়ল
  • এবারও কারণ সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্য়ে 'সংঘাত' আরও বাড়ল। এবারও কারণ সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-এর মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি করেছেন। সেখানে গ্রিনল্যান্ডকে নিজেদের দেশের অংশ হিসেবে দেখিয়েছেন। আর তাতেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সরাসরি এই মানচিত্র নিয়ে মন্তব্য করেননি ঠিকই তবে তিনি যে ওয়াকিবহাল ও ডেনমার্কের 'এলাকা' গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকার দাবি মেনে নেবেন না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন। 

মেটে ফ্রেডেরিকসেন জানিয়েছেন, তিনি কখনও বহিরাগত হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবেন না। দেশের সীমান্ত, ভূখণ্ড, স্বাধীনতা ও পরিচয় নিয়ে তাঁরা আপোষ করতে রাজি নন। তাঁদের অবস্থানকে সমর্থন করতে বিশ্বের নেতাদের কাছেও আবেদন জানিয়েছেন ফ্রেডেরিকসেন। গ্রিনল্যান্ড যে বারুদের স্তূপের উপর দাঁড়িয়ে তা কার্যত স্বীকারও করে নিয়ে হুঙ্কার দিয়ে তাঁর বার্তা, 'কেউ যদি ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ করে তাহলে আমরাও যোগ্য জবাব দেব।' 

এর আগে ডেনিস প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের ট্যারিফ হুমকি নিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, 'ইউরোপকে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না।' বলেছিলেন,  'ট্রাম্প যদি ট্যারিফ আরোপ করেন, তাহলে ইউরোপও যোগ্য জবাব দেবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ। আর ট্যারিফ কেবল একটি দেশের উপর চাপানো যাবে না। সমগ্র ইউরোপীয় ইউনিয়নের উপর প্রযোজ্য হবে।' 

আরও পড়ুন

ট্রাম্পের চ্যালেঞ্জ 

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতাদের কথায় কর্ণপাতই করছেন না ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবারও তিনি জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের দাবি থেকে  সরে আসার কোনও প্রশ্নই নেই। ইউরোপের একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের বিরোধিতা শুরু করেছে। এতে NATO-র উপরও প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ন্যাটোর সেক্রেটারি মার্ক রুটের সঙ্গে কথা বলেছেন। তা নিয়ে বলেন, 'আমি সবাইকে সাফ জানিয়ে দিয়েছি জাতীয় ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আবশ্যক। এখন আর পিছু হটার কোনও প্রশ্নই নেই। সবাই এতে একমত।'

গ্রিনল্যান্ডকে আমেরিকার বলে দাবি ট্রাম্পের

গত কয়েক মাস ধরেই ট্রাম্পের নীতির কারণে ইউরোপের বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। গ্রিনল্যান্ডের দাবি না মানা হলে সেই বাণিজ্যে আরও প্রভাব পড়বে- বলেও হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনিতেই নোবেল না পেয়ে ক্ষিপ্ত তিনি। তাই শান্তির বদলে মার্কিন স্বার্থের উপরই মনোনিবেশ করবেন তিনি, প্রকাশ্য়ে জানিয়েছেনও। 

Advertisement

তবে ট্রাম্পের নতুন মানচিত্র সামনে আসার পর উদ্বিগ্ন ইউরোপীয় দেশগুলি। উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে ট্রাম্প ও ফরাসি রাষ্ট্রপতি ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ব্যক্তিগত কথোপকথন সামনে চলে আসায়। চ্যাটে ম্যাক্রোঁ গ্রিনল্যান্ড সম্পর্কে ট্রাম্পকে একগুঁয়েমি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।  ম্যাক্রোঁ ট্রাম্পকে লিখেছিলেন, 'সিরিয়ার বিষয়ে আমরা সম্পূর্ণরূপে ঐক্যবদ্ধ। ইরানের বিষয়েও। তবে গ্রিনল্যান্ডে আপনি কী করছেন, তা বুঝতে পারছি না।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement