Advertisement

Strait of Hormuz: হরমুজ খোলা, তেল কিনতেও রেডি ভারত, কিন্তু খারাপ খবর শোনাল ইরান

India Iran Oil Import: আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে ছাড়পত্র দিয়েছিল ইরান। সেদেশ থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প।

ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি।
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 21 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:54 PM IST
  • আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে ছাড়পত্র দিয়েছিল ইরান।
  • ইরান থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি।
  • তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প।

India Iran Oil Import: আগেই হরমুজ দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলে ছাড়পত্র দিয়েছিল ইরান। সেদেশ থেকে ফের অপরিশোধিত তেল কেনার পরিকল্পনা করছে ভারতের বিভিন্ন রিফাইনারি। তেল কেনা নিয়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আপাতত কিছুটা শিথিল করেছেন ট্রাম্প। এমতাবস্থায়, সেই সুযোগই কাজে লাগাতে চাইছিল ভারত। যদিও ইরান জানিয়ে দিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির মতো অতিরিক্ত তেলের জোগান এই মুহূর্তে তাদের হাতে নেই। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, India-র তৈল শোধনাগারগুলি Iran থেকে পুনরায় ক্রুড অয়েল আমদানি শুরু করার বিষয়ে প্ল্যান করছে। তেহরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছুটা ছাড় দিচ্ছে। সেই সুযোগেই ভারত বিকল্প উৎস হিসেবে ইরানের দিকে ঝুঁকছে।

তবে ইরানের তেল মন্ত্রকের বক্তব্যই কিছুটা চিন্তার বিষয়। তাদের দাবি, বর্তমানে কোনও 'ফ্লোটিং ক্রুড' বা অতিরিক্ত মজুত নেই। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আপাতত তেল বিক্রি করতে পারবে না। তাই বাস্তবে ভারত কতটা তেল পাবে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

এর আগে হরমুজ প্রণালী(Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনেকটাই ছাড় দিয়েছে ইরান। এই প্রণালী যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আর কারও অজানা নয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাসই এই সংকীর্ণ সমুদ্রপথ দিয়েই আসে। ইরান ও ওমানের মাঝে অবস্থিত এই পথ কার্যত উপসাগরীয় দেশগুলির একমাত্র রফতানির রাস্তা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, সৌদি আরব, ইরাক; সব দেশই এই রুটের উপর নির্ভরশীল। ফলে এই রুট বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে বড়সড় ধাক্কা লাগবে।

যুদ্ধের আবহে হয়েছেও তাই। ইরান ইতিমধ্যেই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলির উপর হামলার হুমকি দিয়েছে। শত শত জাহাজ মাঝপথে দাঁড়িয়ে পড়েছে।  

২ দিন আগের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে ২২টি ভারতীয় জাহাজ উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে রয়েছে। এর মধ্যে Indian Oil Corporation-এর ‘পাইন গ্যাস’ এবং Bharat Petroleum-এর ‘জাগ বসন্ত’ ও রয়েছে। দু'টি জাহাজই এলপিজি ট্যাঙ্কার। সহজ ভাষায় বললে, রান্নার গ্যাস আসছে। জাহাজ দু'টি সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার কাছে নোঙর করে রয়েছে। তবে শীঘ্রই রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্রিয়। ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী(Narendra Modi) নিজে একাধিক দেশের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ইরানের সঙ্গেও আলোচনা চলছে বলে খবর।

গত সপ্তাহে ইরান দু'টি ভারতীয় এলপিজি জাহাজকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দেয়। ইতিমধ্যেই এলপিজি নিয়ে সেই জাহাজগুলি ভারতে এসেও গিয়েছে বিশ্লেষকদের মতে, ভারত ও ইরানের সুসম্পর্ক এবং ভারতের নিরপেক্ষ অবস্থানের ফলেই এই সুযোগ মিলেছে।

তবে একই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বুঝতে হবে। সম্প্রতি পাকিস্তানগামী একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। অর্থাৎ, ইরান পুরোপুরি পথ বন্ধ করেনি। বরং বেছে বেছে কিছু দেশকে অনুমতি দিচ্ছে। যাদের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভাল, তারাই সুবিধা পাচ্ছে।

সব মিলিয়ে, পরিস্থিতি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। একদিকে ইরান থেকে তেল আমদানির সম্ভাবনা। অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীর অনিশ্চয়তা। সব মিলিয়ে এখনও ভারতের জ্বালানি ভাণ্ডার কিছুটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে। এই পথ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের পকেটে।

Read more!
Advertisement
Advertisement