
থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়ার বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় ভাঙা হল বিষ্ণুমূর্তি। বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হয় মূর্তিটি। নেটমাধ্যমে ভাইরাল সেই ভিডিও। ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল ভারতের বিদেশমন্ত্রক। নয়াদিল্লি বলল, হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবতারা সমগ্র অঞ্চলে আরাধ্য। এই ধরনের কাজ গ্রহণযোগ্য নয়। তা গোটা বিশ্বের মানুষের আবেগ জড়িত।
কয়েকদিন আগে বিতর্কিত কম্বোডিয়ান সীমান্ত এলাকায় বিষ্ণুর একটি মূর্তি ভেঙে ফেলে থাই সেনাবাহিনী। বুলডোজার ব্যবহার করে মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাটিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। তারা জানিয়েছে, এই ধরনের পদক্ষেপ খালি ধর্মীয় আবেগে আঘাত নয় বরং সভ্যতারও ক্ষতি। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ এটি।
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন,'বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুরের খবর দেখেছি। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ দেবতাদের গভীরভাবে শ্রদ্ধা ও পুজো করা হয়। তা পরস্পরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। এই ধরনের অবমাননাকর কাজ অনভিপ্রেত। তা কেবল ধর্মীয় অনুভূতিতেই আঘাত করে না বরং বিশ্বজুড়ে ভক্তদের হৃদয়কেও আঘাত দিয়েছে। সামাজিক সম্প্রীতি এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে।
রণধীর জয়সওয়াল মনে করিয়ে দেন, শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য দু'পক্ষকে ফের আলোচনা করা উচিত। জীবনহানি, সম্পত্তির ক্ষতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ক্ষতি যাতে না হয়। হিংসার আশ্রয় না নিয়ে সমাধান খুঁজে বের করা উচিত। ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সম্মান সকল সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তা রক্ষা না করে স্থায়ী শান্তি অসম্ভব বলেও জানান জয়সওয়াল।
বলে রাখি, থাই সেনাবাহিনী একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্কিত এলাকায় মূর্তিটি নির্মাণ করেছিল কম্বোডিয়া।