
সোমবার কাকভোরে ইরানি হানায় কুয়েতে মৃত্যু হল এক ভারতীয়ের। মৃত ব্যক্তি লবণাক্ত জল পরিশোধন কেন্দ্রে কাজ করতেন। তাঁর মৃত্যুর জেরে এখন পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধের জেরে ভারতীয়ের মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮-এ।
কুয়েতের বিদ্যুৎ ও জল মন্ত্রকের তরফে এক্স-এ একটি পোস্টে জানানো হয়েছে, এই হামলায় বিল্ডিংয়ের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলাকে ইরানি আগ্রাসন বলে জানিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কুয়েত। ঘটনায় কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা দেখার ও সামলে নিতে এবং জরুরি কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য ওই এলাকায় বিশেষ দলও পাঠিয়েছে কুয়েত সরকার।
উল্লেখ্য, এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে এক ভারতীয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল গত বৃহস্পতিবার। আবুধাবিতে একটি ব্যালেস্টিক মিসাইলকে আকাশেই ধ্বংস করার পর তার নানা অংশ টুকরো টুকরো হয়ে নীচে পড়ে। সেই ধ্বংসাবশেষে চাপা পড়ে নিহত হন এক ভারতীয়। ওই মৃত্যুর ঘটনায় পদক্ষেপ নিয়েছিল নয়াদিল্লি। ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, "সব ধরনের সম্ভাব্য সমর্থন ও সহায়তার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরশাহী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।"
গত সপ্তাহে শুক্রবার একটি আভ্যন্তরীণ বৈঠকের পর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে এখন পর্যন্ত সাতজন ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তবে, সোমবারের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল।
আল জাজিরার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ভোরে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য দেশ বাহারিন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী ও সৌদি আরবে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে। বাহারিনের বাসিন্দারা একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন। নিরাপত্তা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ইরানি মিসাইলগুলিকে আকাশে ধ্বংস করার সময়ই ওই শব্দ হয়েছে।