
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ফের প্রাণহানি ভারতীয় নাগরিকের। পারস্য উপসাগরে আমেরিকার দু’টি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। একটির নাম ‘জেফাইরোস’, অপরটির নাম ‘সেফসি বিষ্ণু’। দ্বিতীয় ট্যাঙ্কারের নাবিক ছিলেন ওই ভারতীয় নাগরিক। বাসরা উপকূলের আল ফাও বন্দরের কাছে ইরানি হামলায় দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে ট্যাঙ্কারটি। জ্বলন্ত ভেসেল থেকে এখনও পর্যন্ত ৩৮ জন জাহাজকর্মীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাঁচানো যায়নি ভারতীয় ওই নাবিককে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই হামলায় আন্ডারওয়াটার ড্রোন ব্যবহার করেছে ইরান। আবার কোথাও কোথাও দাবি করা হচ্ছে, বিস্ফোরক বোঝাই ছোট নৌকার মাধ্যমে অয়েল ট্যাঙ্কারগুলিতে ধাক্কা মারতেই সেগুলি জ্বলে যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরে মার্কিন ট্যাঙ্কাগুলি জ্বলে ওঠে। তার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ে সমুদ্রেও। কালো ধোঁয়ার কুন্ডলীতে ঢেকে যায় আকাশ। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in.
জাহাজ ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট TankerTrackers.com অনুসারে, ট্যাঙ্কারগুলিতে ইরাকের প্রায় ৪ লক্ষ ব্যারেল ক্রুড অয়েল ছিল। এর আগে ১ এবং ২ মার্চ, ওমান উপকূলে দু’টি বাণিজ্যিক জাহাজ MV MKD Vyom এবং MV Skylight-এ ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। ওই হামলায় তিন ভারতীয় নিহত হন।
সূত্রের খবর, 'ময়ূরী নারী' নামে থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজটি গুজরাতের দিকে যাচ্ছিল। বুধবার ওমানের উত্তর উপকূল থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটে। হানায় আগুন ধরে যায় জাহাজে। উদ্ধার অভিযানে ২৩ জন ক্রু সদস্যের মধ্যে ২০ জনকে সরানো হয়েছে।