Advertisement

Indian Man Shooting: আমেরিকায় সন্তানদের সামনে স্ত্রী ও তিন আত্মীয়কে গুলি করে খুন, গ্রেফতার অভিযুক্ত ভারতীয়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যে এক মর্মান্তিক পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি তার স্ত্রী-সহ চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ৫১ বছর বয়সী বিজয় কুমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 24 Jan 2026,
  • अपडेटेड 1:19 PM IST
  • মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যে এক মর্মান্তিক পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে।
  • পারিবারিক কলহের জেরে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি তার স্ত্রী-সহ চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যে এক মর্মান্তিক পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সামনে এসেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তি তার স্ত্রী-সহ চারজনকে গুলি করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত ৫১ বছর বয়সী বিজয় কুমারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

শুক্রবার ভোর প্রায় আড়াইটে নাগাদ ব্রুক আইভি কোর্ট এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি বাড়ির ভিতর চারজনের নিথর দেহ উদ্ধার করে। প্রত্যেকের শরীরেই গুলির চিহ্ন ছিল। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন বিজয় কুমারের স্ত্রী ৪৩ বছর বয়সী মীমু ডোগরা, গৌরব কুমার (৩৩), নিধি চন্দর (৩৭) এবং হরিশ চন্দর (৩৮)।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় বাড়ির ভিতরে উপস্থিত ছিল তিনটি শিশু। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে তারা আলমারির ভিতর লুকিয়ে নিজেদের প্রাণ বাঁচায়। এই তিন শিশুর মধ্যে অভিযুক্ত ও নিহত দম্পতির ১২ বছরের ছেলেটিও ছিল। অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে সে নিজেই ৯১১ নম্বরে ফোন করে পুলিশের কাছে সাহায্য চায়। সেই ফোন পেয়েই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। সৌভাগ্যবশত, কোনও শিশুই শারীরিকভাবে আহত হয়নি। পরে তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জিম্মায় তুলে দেওয়া হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার সূত্রপাত হয় আটলান্টায় বিজয় কুমারের নিজের বাড়িতে স্ত্রী মীমু ডোগরার সঙ্গে তীব্র ঝগড়া থেকে। সেই ঝগড়ার পর তিনি সন্তানকে নিয়ে ব্রুক আইভি কোর্ট এলাকার একটি বাড়িতে যান, যেখানে অন্য আত্মীয়রা থাকতেন। সেখানেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং একের পর এক গুলিতে চারজনের প্রাণ চলে যায়।

ঘটনার পর বিজয় কুমার পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। যদিও তার গাড়িটি বাড়ির ড্রাইভওয়েতেই পার্ক করা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশ K-9 ইউনিটের সহায়তায় আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে কাছাকাছি একটি জঙ্গল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় আটলান্টায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস গভীর শোকপ্রকাশ করেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে ভারতীয় মিশন জানিয়েছে, তারা এই পারিবারিক ট্র্যাজেডিতে অত্যন্ত মর্মাহত এবং নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement