
ইরান আক্রমণের জন্য তৈরি হচ্ছে আমেরিকা। এই সপ্তাহেই হতে পারে হামলা। তারই মাঝে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দক্ষিণ ইরান। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৫। আর তাতেই বিশেজ্ঞদের একাংশ চিন্তিত। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, হয়তো এই ভূমিকম্পের পিছনে রয়েছে নিউক্লিয়ার টেস্ট।
জার্মান সেন্টার ফর জিওলজিক্যাল রিসার্চ জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল মাটির থেকে ১০ কিমি নীচে। আর এত কম গভীরতায় ভূমিকম্পের কেন্দ্র থাকায় মাটির উপরে কম্পন ভাল মতো অনুভূত হয়েছে। আর তাতেই চিন্তিত হয়ে পড়েন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা মনে করছেন, ইরান অনেক দিন ধরেই পরমাণু অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। আর এই ভূমিকম্পের নেপথ্যে থাকতে পারে কোনও নিউক্লিয়ার টেস্ট।
এই কম্পনের পরই সারা দেশে উত্তেজনা তৈরি হয়ে যায়। এমার্জেন্সি সার্ভিস কাজে নেমে পড়ে। এমনকী বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও কাজে লেগে পড়েছে বলে খবর। এছাড়া সরকারের পক্ষ থেকেও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হয়েছে।
এমন অবস্থায় তেহরানের আধিকারিকদের তরফে জানান হয়েছে যে, কোনও আপাৎকালীন পরিস্থিতি হলে তার জন্য তৈরি রয়েছে ইরান। জনসাধারণ যেন ভয় না পেয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাধারণত এই ধরনের কম্পনকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নেওয়া হয়। তবে যেভাবে ইরান পরমাণু অস্ত্র বানানোর কাজে উঠে পড়ে লেগেছে, তাতে এই ভূমিকম্প চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এর পিছনে গোপন পরমাণু পরীক্ষা থাকতে পারে।
আগেও হয়েছে
ইরানের এই অঞ্চলে আগেও একাধিকবার ভূমিকম্প হয়েছে। সেখানে ৫.৫ তীব্রতার ভূমিকম্পও হয়েছে এর আগে।
আসলে ইরান এমন একটি জায়গায় অবস্থিত, যার মাটির তলায় টেকটনিক প্লেটের গতিবিধি লক্ষ করা যায়। আর সেই কারণেই বারবার ভূমিকম্প হয়। ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে এই এলাকা।
যদিও ইরানের পক্ষ থেকে কোনও নিউক্লিয়ার টেস্টের কথা স্বীকার করা হয়নি। তবুও সতর্ক রয়েছে বিভিন্ন এজেন্সি। তারা ঘটনার পর্যবেক্ষণ করছেন।
যতদূর খবর, এখনও বড় কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর আসেনি। এমনকী কেউ মারা গিয়েছেন বলে জানান হয়নি সরকারের পক্ষ থেকে।
আমেরিকা হামলা চালাতে পারে
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে রেগে রয়েছে আমেরিকা। তাই এবার হামলার জন্য তৈরি হচ্ছেন মার্কিন সেনা। ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের পক্ষ থেকে যুদ্ধজাহাজ এবং যুদ্ধবিমান মজুত করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্মতি দিলেই হবে হামলা।