Advertisement

Iran Gas Field Attacked: ইরানের গ্যাস ফিল্ডে হামলার পরই জ্বালানির দামে 'আগুন', ভারতে কতটা প্রভাব?

ইরানের বুশেহর প্রদেশের আসালুয়েহে জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হয়। প্রাথমিক খবরে একাধিক বিস্ফোরণের কথা জানা গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ইরানের এই গ্যাস ফিল্ডটি কাতারের সঙ্গে যৌথ মালিকানাধীন। তাই এই হামলায় আমেরিকা ও ইজরায়েলের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কাতারও।

ইরানের গ্যাসফিল্ডে হামলাইরানের গ্যাসফিল্ডে হামলা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 12:17 AM IST
  • জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হয়।
  • ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়।

ইরানের সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডে যৌথ হামলা চালাল ইজরায়েল ও আমেরিকা। যা বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাস ক্ষেত্র। এই হামলার পরই প্রতিশোধের আগুনে পুড়ছে ইরান। পালটা হুমকি দিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কাতারের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রে হামলা চালাবে। ইরানে হামলা-পাল্টা হামলার হুমকির জেরে বিশ্ববাজারে হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে অপরিশোধিত তেল ও গ্যাসের দাম।

ইরানের বুশেহর প্রদেশের আসালুয়েহে জ্বালানি পরিকাঠামোর ওপর হামলা চালানো হয়। প্রাথমিক খবরে একাধিক বিস্ফোরণের কথা জানা গেলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ইরানের এই গ্যাস ফিল্ডটি কাতারের সঙ্গে যৌথ মালিকানাধীন। তাই এই হামলায় আমেরিকা ও ইজরায়েলের ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে কাতারও।

ইরানের পালটা হুমকির পর থমথমে উপসাগরীয় অঞ্চল। নিশানায় সৌদি আরবের স্যামরেফ রিফাইনারি ও জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স, আমিরশাহির আল হোসন গ্যাস ফিল্ড এবং কাতারের রাস লাফান ও মেসাইদ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স।

সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডের পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্য করে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে ইরানি সংবাদ সংস্থা তসনিম। এই খবর চাউর হতেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক ধাক্কায় ৫ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১১০ ডলার প্রতি ব্যারেলে পৌঁছে গিয়েছে। মঙ্গলবার ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল। বুধবার ১০৯.৯১ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। শুধু তেল নয় লন্ডনের বাজারে গ্যাসের দামও ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি থার্মে ১৪৩.৫৩ পেন্সে পৌঁছেছে। পরে ১৪০ পেন্সের নীচে আসে।

সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডকে আন্তর্জাতিক গ্যাস সরবরাহের মেরুদণ্ড বলা হয়। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাস ভাণ্ডার। এখান থেকে প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন কিউবিক মিটার গ্যাস উৎপাদিত হয়। এই কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া মানেই বিশ্বজুড়ে এনার্জি সাপ্লাই চেনে বড়সড় ধাক্কা লাগা। ইতিমধ্যেই সেখানকার একাধিক প্রসেসিং ইউনিট ও পরিকাঠামোয় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে যা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

Advertisement

ইরান ও সংলগ্ন অঞ্চলে এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে ভারতের ওপর। ভারত নিজের প্রয়োজনীয় এলপিজির  প্রায় ৮০-৮৫ শতাংশ আমদানি করে কাতার ও সৌদি আরব থেকে। কাতার থেকে বছরে ১.৪ কোটি টনের বেশি এলএনজি আমদানি করা হয়। মার্চের শুরুতে ড্রোন হামলার জেরে কাতারের উৎপাদন এমনিতেই ধাক্কা খেয়েছিল। এবার সাউথ পার্সে হামলার ফলে সেই সংকট আরও বাড়ল। ভারতের জ্বালানির জোগান বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা।

Read more!
Advertisement
Advertisement