Advertisement

কয়েক সেকেন্ডের জন্য মৃত্যুকে ফাঁকি, বরাত জোরে যেভাবে বাঁচালেন মোজতবা?

মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। দ্য টেলিগ্রাফের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি করা হয়েছে, মিসাইল হানার ঠিক আগের মুহূর্তে বাসভবন থেকে বেরিয়ে পড়তেই রক্ষা পান ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা। 

বরাত জোরে যেভাবে বাঁচালেন মোজতবা?বরাত জোরে যেভাবে বাঁচালেন মোজতবা?
Aajtak Bangla
  • তেহরান,
  • 17 Mar 2026,
  • अपडेटेड 9:48 AM IST
  • মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই।
  • মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা।
  • কমপক্ষে তিনটি মিসাইল দিয়ে বিল্ডিংয়ের উপর হামলা করা হয়েছিল।

মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই। দ্য টেলিগ্রাফের একটি রিপোর্টে এই তথ্য উঠে এসেছে। দাবি করা হয়েছে, মিসাইল হানার ঠিক আগের মুহূর্তে বাসভবন থেকে বেরিয়ে পড়তেই রক্ষা পান ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা। 

ইরানি আধিকারিকদের বৈঠকের একটি ফাঁস হওয়া অডিও ক্লিপকে উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যমটির দাবি, যে হামলায় ইরানের প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেই ও তাঁর একাধিক আত্মীয় ও সেনা কমান্ডারদের মৃত্যু হয়েছিল, সেই হামলা থেকেই কোনওক্রমে রক্ষা পেয়েছেন মোজতবা। ঠিক মিসাইল হানার আগের মুহূর্তেই তিনি বাগানে বেরিয়ে এসেছিলেন। ফলে সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান এই নেতা।

রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, খামেনেই-এর প্রোটোকল অফিসের প্রধান মাজাহের হোসেইনি একটি বৈঠকে ইরানি আধিকারিকদের জানিয়েছেন, "স্বয়ং ঈশ্বরের ইচ্ছাতেই মোজতবা কিছুক্ষণের জন্য বাইরের উঠোনে বেরিয়ে ছিলেন। যখন বাগান থেকে ফিরে আসার জন্য সবেমাত্র সিঁড়িতে উঠতে যাচ্ছেন, তখনই বিল্ডিংয়ের উপর মিসাইল এসে পড়ে।"

ফাঁস হওয়া অডিও বার্তায় দাবি করা হয়েছে, কমপক্ষে তিনটি মিসাইল দিয়ে বিল্ডিংয়ের উপর হামলা করা হয়েছিল। এরমধ্যে একটি মিসাইল সরাসরি আলি খামেনেই-এর অফিস কক্ষের আশেপাশে এসে পড়ে। অপর একটি মিসাইল সরাসরি মোজতবা খামেনেই-এর ঘরে আঘাত করেছিল। কিন্তু তিনি রুমে না থাকায় রক্ষা পেয়ে গিয়েছেন।

মাজাহের হোসেইনি দাবি করেছেন, মিসাইল হানার জেরে মোজতবা সামান্য আহত হয়েছেন। তাঁর পায়ে চোট লেগেছে। তবে তিনি প্রায় সুস্থ আছেন। পাশাপাশি হোসেইনি জানিয়েছেন, "ওই হামলায় ইরানের মিলিটারি প্রধান মহম্মদ শিরাজিরও মৃত্যু হয়। তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কোনও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই আস্ত পাওয়া যায়নি।"


 
Read more!
Advertisement
Advertisement