Advertisement

Donald Trump Iran War: 'মিশন ইরান শেষের পথে', দাবি ট্রাম্পের, এবার যুদ্ধের ইতি?

২১ দিনে পড়ল ইরান যুদ্ধ। একদিকে ইরান, অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দুই পক্ষই এতদিন যুদ্ধ নিয়ে অনড় মনোভাব দেখিয়েছে। যার ফলে গোটা পৃথিবীতেই বেড়েছে অস্থিরতা। তেলের দাম আকাশ ছুঁতে শুরু করেছে। যদিও এই যুদ্ধ থেকে নিজেদের বের করে আনার একটা 'এক্সিট প্ল্যান' সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্পডোনাল্ড ট্রাম্প
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Mar 2026,
  • अपडेटेड 7:49 AM IST
  • ২১ দিনে পড়ল ইরান যুদ্ধ
  • একদিকে ইরান, অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল
  • এই যুদ্ধ থেকে নিজেদের বের করে আনার একটা 'এক্সিট প্ল্যান' সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

২১ দিনে পড়ল ইরান যুদ্ধ। একদিকে ইরান, অন্যদিকে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। দুই পক্ষই এতদিন যুদ্ধ নিয়ে অনড় মনোভাব দেখিয়েছে। যার ফলে গোটা পৃথিবীতেই বেড়েছে অস্থিরতা। তেলের দাম আকাশ ছুঁতে শুরু করেছে। যদিও এই যুদ্ধ থেকে নিজেদের বের করে আনার একটা 'এক্সিট প্ল্যান' সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে জানিয়েছেন, আমেরিকা নিজেদের সামরিক উদ্দেশ্য পূরণের খুব কাছাকাছি রয়েছে। যার ফলে আমেরিকার পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বড়সড় সামরিক অভিযান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

এই পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইতিমধ্যেই এই যুদ্ধে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। তাদের সেনা অনেক কিছুই অর্জন করেছে। আর সেটাই যুদ্ধ জয়ের অন্যতম ইঙ্গিত বলে মনে করেন তিনি। 

এই প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, 'আমরা ইরানের মিসাইল ক্যাপাসিটি সম্পূর্ণ ভেঙে দিয়েছি। পাশাপাশি ডিফেন্স ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল বেস, নৌসেনা এবং বায়ুসেনার ক্ষমতাও ধ্বংস করা হয়েছে।' এই পোস্টেই ট্রাম্প জানিয়ে দেন যে ইরান কোনও দিনই পরমাণু অস্ত্র বানাতে পারবে না। এই বিষয়টা নিশ্চিত করবে আমেরিকা। 

ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে চাইছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই মতো ওই এলাকার 'মিত্র' যেমন ইজরায়েল, সৌদি আরব, কাতার, ইউএই এবং কুয়েতেরে সুরক্ষায় আগামিদিনেও ঝাঁপিয়ে পড়বে আমেরিকার সেনা। 

হরমুজ নিয়ে কী দাবি? 
ট্রাম্প জানিয়ে দেন, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে তারা চিন্তিত। কিন্তু যেই সকল দেশ এই সমুদ্রপথ ব্যবহার করে, তাদেরই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। চাইলে আমেরিকা সাহায্য করবে। কিন্তু অন্যান্য দেশগুলিকেও দায়িত্ব নিতে হবে। অর্থাৎ তিনি এটা বুঝিয়ে দিলেন যে এই প্রণালীর সুরক্ষার দায়িত্ব একা শুধু মার্কিন মুলুকের নয়। অন্য সবাইকেও দায়িত্ব নিতে হবে।

তাঁর যুক্তি, 'আমেরিকা এই রুট ব্যবহার করে না। তাই অন্য যারা ব্যবহার করে, তাদের এগিয়ে আসতে হবে।' পাশাপাশি তার দাবি, এটা খুবই সহজ মিলিটারি অপারেশন। 

Advertisement

এছাড়া তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, একবার ইরানের বর্তমান সঙ্কট মিটিয়ে দিতে পারলে, আমেরিকার কোনও ভূমিকা থাকবে না। 
মাথায় রাখতে হবে, হরমুজ প্রণালী খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্রপথ। এখান থেকে সারা পৃথিবীর জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ রফতানি হয়। আর সেই হরমুজ এখন প্রায় কার্যত বন্ধ। দাঁড়িয়ে রয়েছে সারি সারি জাহাজ। আর সেই কারণে ভারত সহ গোটা বিশ্বেই জ্বালানির সঙ্কট তৈরি হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement