Advertisement

Pakistan Blast: জুম্মাবারে রক্তে লাল ইসলামাবাদ, মসজিদে কত মৃত্যু? ছড়িয়ে ছিটিয়ে শুধুই দেহাংশ

ফের পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। শুক্রবার রাজধানী ইসলামাবাদের তরলাই এলাকার ধর্মীয় প্রাঙ্গণে হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

 ইসলামাবাদের তরলাই এলাকার ধর্মীয় প্রাঙ্গণে হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণ। ইসলামাবাদের তরলাই এলাকার ধর্মীয় প্রাঙ্গণে হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Feb 2026,
  • अपडेटेड 5:19 PM IST
  • ফের পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ।
  • শুক্রবার রাজধানী ইসলামাবাদের তরলাই এলাকার ধর্মীয় প্রাঙ্গণে হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে।
  • বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ফের পাকিস্তানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। শুক্রবার রাজধানী ইসলামাবাদের তরলাই এলাকার ধর্মীয় প্রাঙ্গণে হঠাৎ জোরালো বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের শব্দে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে ইসলামাবাদ জুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী ইমাম বারগাহ এবং তার আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলেছে। গোটা এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে ৩১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত প্রায় ৬০।

বিস্ফোরণস্থল ঘিরে রেখেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

ঘটনাটি শাহজাদ টাউন এলাকার তরলাই ইমামবাড়ায় ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানীর একাধিক বড় হাসপাতালকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

আহতদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছে। ছবি: এএফপি

ইসলামাবাদ পলিক্লিনিক হাসপাতাল, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিমস) এবং সিডিএ হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা চালু করা হয়েছে। পিমস হাসপাতালের কার্যনির্বাহী অধিকর্তা জানিয়েছেন, প্রধান জরুরি বিভাগ, অর্থোপেডিক, বার্ন সেন্টার এবং নিউরোলজি বিভাগকে সক্রিয় রাখা হয়েছে। আহতদের পিমস এবং পলিক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে।

এই বিস্ফোরণের কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করছে। কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি নাশকতার ঘটনা, নাকি অন্য কোনও কারণে বিস্ফোরণ হয়েছে; সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও মেলেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, রাজধানীর মতো সংবেদনশীল এলাকায় ধর্মীয় স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনায় সেদেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে। অতীতেও পাকিস্তানে ধর্মীয় উপাসনাস্থলে একাধিক হামলার নজির রয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement