Advertisement

Pakistan Mosque Blast Dead: কাশ্মীরের নামে ভারতে ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানে কে চালাল ধ্বংসলীলা?

Pakistan Mosque Blast Dead: প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর মসজিদ চত্বরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল মৃতদেহ, রক্তাক্ত মানুষ আর নামাজের সময় খোলা জুতো-চপ্পল। বিস্ফোরণের তীব্রতায় গোটা এলাকায় ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপের ছবি ধরা পড়ে।

Aajtak Bangla
  • ইসলামাবাদ,
  • 07 Feb 2026,
  • अपडेटेड 12:26 AM IST

Pakistan Mosque Blast Dead: পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের তারলাই কালান এলাকায় শুক্রবারের নামাজ চলাকালীন ভয়াবহ আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটল। খাদিজা তুল কুবরা শিয়া মসজিদে ঢোকার মুখে নিরাপত্তারক্ষীদের বাধার মুখে পড়ে হামলাকারী প্রথমে গুলি চালায়, তারপর নিজেকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যেই মসজিদের একাংশ ভেঙে পড়ে এবং নামাজরতদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিস্ফোরণে অন্তত ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন। আহতদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-সহ একাধিক হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসা চলছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পর মসজিদ চত্বরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল মৃতদেহ, রক্তাক্ত মানুষ আর নামাজের সময় খোলা জুতো-চপ্পল। বিস্ফোরণের তীব্রতায় গোটা এলাকায় ধোঁয়া ও ধ্বংসস্তূপের ছবি ধরা পড়ে। ঘটনার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। উদ্ধারকাজে নামানো হয় বিশেষ দল ও অ্যাম্বুলেন্স। সম্ভাব্য আরও বিস্ফোরক আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তল্লাশি চালানো হয় পুরো এলাকায়।

আরও পড়ুন

পুলিশ সূত্রে খবর, এটি একটি পরিকল্পিত আত্মঘাতী হামলা বলেই প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। ফরেনসিক দল নমুনা সংগ্রহ করেছে। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি, তবে তদন্তকারীদের অনুমান, শিয়া সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে হামলা চালাতে পারে পাকিস্তানি তালিবান বা আইএস-এর মতো জঙ্গি গোষ্ঠী।

এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি বলেন, নিরীহ মানুষের রক্ত ঝরানোর জন্য দায়ীদের কোনওভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে শাস্তির আশ্বাস দেন তিনি। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন এবং হাসপাতালগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, হামলার সময়ই ইসলামাবাদের কাছাকাছি এলাকায় উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্টের একটি সরকারি কর্মসূচি চলছিল। ফলে এই হামলা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল এবং রাজধানীর সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement