Advertisement

ইরানের জন্য সব গয়না দিয়ে দিলেন কাশ্মীরি বিধবা, 'ভুলতে পারব না,' আবেগতাড়িত তেহরান

কাশ্মীরের এক বিধবা মহিলা তাঁর প্রয়াত স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে প্রায় ২৮ বছর ধরে যত্ন করে রাখা সোনা দান করেছেন। এই আবেগঘন ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। দূতাবাসের বক্তব্য, মানুষের এই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 23 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:53 AM IST
  • যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য মানবিকতার নজির গড়লেন ভারতের এক বিধবা নারী।
  • বিশেষ করে কাশ্মীরের বাসিন্দাদের উদ্যোগে ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের জন্য সাহায্যের ঢল নেমেছে।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এক অনন্য মানবিকতার নজির গড়লেন ভারতের এক বিধবা নারী। বিশেষ করে কাশ্মীরের বাসিন্দাদের উদ্যোগে ইরানে ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের জন্য সাহায্যের ঢল নেমেছে। নগদ অর্থ থেকে শুরু করে সোনা, এমনকি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীও দান করছেন অনেকে।

এই প্রেক্ষিতে একটি ঘটনা গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে সকলকে। কাশ্মীরের এক বিধবা মহিলা তাঁর প্রয়াত স্বামীর স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে প্রায় ২৮ বছর ধরে যত্ন করে রাখা সোনা দান করেছেন। এই আবেগঘন ঘটনার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে ভারতে অবস্থিত ইরানি দূতাবাস কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। দূতাবাসের বক্তব্য, মানুষের এই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতাই তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এই উদ্যোগের পেছনে রয়েছে মানবিক দায়বদ্ধতা এবং ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের অনুভূতি। অনেকেই মনে করছেন, যুদ্ধের ভয়াবহতায় বিপর্যস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সভ্য সমাজের দায়িত্ব।

ইরানি দূতাবাসের শেয়ার করা ছবিতে দেখা গিয়েছে, উপত্যকা জুড়ে সংগ্রহ করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, গয়না এবং অন্যান্য সামগ্রী। দূতাবাস জানিয়েছে, এই সাহায্য তারা কখনও ভুলবে না।

গত ১৪ মার্চ দূতাবাস ভারতীয়দের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়ে ব্যাংক বিবরণী প্রকাশ করে। তবে পরে লজিস্টিক সমস্যার কারণে সরাসরি নয়াদিল্লিতে দূতাবাসে গিয়ে নগদ অর্থ দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

ভারত ও ইরানের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক এই সহমর্মিতার মধ্যে আবারও প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে ভারতের বৃহৎ শিয়া সম্প্রদায়ের সঙ্গে ইরানের গভীর যোগসূত্র রয়েছে, যা এই ধরনের মানবিক উদ্যোগে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত যতই তীব্র হোক না কেন, এই ধরনের সহানুভূতি ও সহমর্মিতার উদাহরণই প্রমাণ করে, মানবিকতা এখনও বেঁচে আছে। কাশ্মীরের সেই বিধবার মতো মানুষদের কাছে এই দান শুধু সাহায্য নয়, বরং স্মৃতি, ভালোবাসা এবং মানবতার এক গভীর প্রকাশ।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement