
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনেইকে নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দাবি করা হচ্ছে, সাম্প্রতিক মার্কিন-ইজরায়েলি সংঘর্ষে তিনি নিহত হয়েছেন। এবং তাঁকে সমাধিস্থ করার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ইরানি প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিক ও পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি এখনও সামনে আসেনি।
এএফপি-র উল্লেখ করে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা Fars News Agency জানিয়েছে, খামেনিকে মাশহাদ শহরে সমাহিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। মাসহাদ ইরানের অন্যতম পবিত্র শহর, যেখানে অবস্থিত ইমাম রেজার মাজার। স্থানেই তাঁর পিতার কবর রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
খবরে আরও দাবি করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মৃত্যুর ঘোষণা দেন, পরে ইরানি সরকার তা নিশ্চিত করে। তবে এসব তথ্যের স্বপক্ষে স্পষ্ট সরকারি নথি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃত নিশ্চয়তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস বা (আইআরজিসি)-র টেলিগ্রাম চ্যানেলে তেহরানে একটি 'মহা বিদায় অনুষ্ঠান'-এর কথাও বলা হয়েছে। তেহরান টাইমসের খবরে উল্লেখ, ইমাম খোমেনি মসজিদে তিন দিনের শোকানুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এবং রাত ১০টা (ইরানি সময়) শোকযাত্রা শুরু হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা। প্রতিরক্ষা, পররাষ্ট্রনীতি ও গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রনৈতিক সিদ্ধান্তে তাঁর চূড়ান্ত কর্তৃত্ব ছিল।