Advertisement

৬০৮ দিন কাটিয়েছেন মহাকাশে, অবসর নিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভোচর সুনীতা উইলিয়ামস

২৭ বছরের কর্মজীবনে ইতি টানলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী  সুনীতা উইলিয়ামস। ৬০ বছর বয়সে এসে আনুষ্ঠানিক ভাবে নভোশ্চরের পেশা থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি।

নাসা থেকে অবসর নিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামসনাসা থেকে অবসর নিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নভশ্চর সুনীতা উইলিয়ামস
Aajtak Bangla
  • ওয়াশিংটন,
  • 21 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:33 AM IST
  • ২৭ বছরের কর্মজীবনে ইতি টানলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস।
  • মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তরফে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে সুনীতার অবসর কার্যকর হয়েছে।

২৭ বছরের কর্মজীবনে ইতি টানলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী  সুনীতা উইলিয়ামস। ৬০ বছর বয়সে এসে আনুষ্ঠানিক ভাবে নভোশ্চরের পেশা থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। মঙ্গলবার (স্থানীয় সময়) মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার তরফে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

NASA-র তরফে জানানো হয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে সুনীতার অবসর কার্যকর হয়েছে। বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, ‘মানুষের মহাকাশ অভিযানে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন সুনীতা। ভবিষ্যৎ মহাকাশ গবেষণার রূপকার তিনি। পৃথিবীর কক্ষপথের নিম্নভাগে বাণিজ্যিক অভিযানের পথ প্রশস্ত করেছেন’।

উল্লেখ্য, মহাকাশে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন সুনীতা উইলিয়ামস। তাঁর কর্মজীবনে সব মিলিয়ে ৬০৮ দিন তিনি অন্তরীক্ষে কাটিয়েছেন। মহাকাশে বেশি দিন থাকার বিচারে নাসার সব মহাকাশচারীদের মধ্যে তিনি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। SpaceX Crew-9 অভিযানে গিয়ে  ২৮৬ দিন মহাকাশে ছিলেন তিনি।

সবমিলিয়ে মোট ন’টি স্পেসওয়াকের রেকর্ড রয়েছে সুনীতার। স্পেসওয়াকে সময় কাটিয়েছেন ৬২ ঘণ্টা ৬ মিনিট, যা মহিলা মহাকাশচারীদের মধ্যে সর্বাধিক এবং নারী-পুরুষ সকলের মধ্যে চতুর্থ। মহাকাশে ম্যারাথনে অংশ নেওয়া প্রথম মহাকাশচারীও সুনীতা। 

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে প্রথম নাসায় যোগ দিয়েছিলেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী। সুনীতার প্রথম মহাকাশযাত্রা ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে। ডিসকভারি শাটলে চড়ে প্রথম মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। ২০১২ সালে, তিনি কাজাখস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রোম থেকে অভিযান ৩২ এবং ৩৩-এর অংশ হিসেবে ১২৭ দিনের একটি অভিযানের জন্য যাত্রা করেছিলেন। 

সুনীতা উইলিয়ামস জানিয়েছেন, মহাকাশ তাঁর প্রিয় আবাসস্থল এবং নাসায় কাটানো সময় তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে তাঁর কাজ চাঁদ এবং মঙ্গল গ্রহে অভিযানের পথ প্রশস্ত করবে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement