Advertisement

Nepal Election 2026: নেপালে ভোট বৃহস্পতিবারই, সিল করে দেওয়া হল ভারত সীমান্ত

৫ মার্চ নেপালে নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে ৭২ ঘন্টার জন্য সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে। আজ সীমান্ত সিল করার দ্বিতীয় দিন, উভয় দেশের নিরাপত্তা বাহিনী পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

৭২ ঘণ্টার জন্য সিল করা হল ভারত সীমান্ত৭২ ঘণ্টার জন্য সিল করা হল ভারত সীমান্ত
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 04 Mar 2026,
  • अपडेटेड 5:20 PM IST

৫ মার্চ নেপালে  নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত-নেপাল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে ৭২ ঘন্টার জন্য সীমান্ত সিল করে দেওয়া হয়েছে। আজ সীমান্ত সিল করার দ্বিতীয় দিন, উভয় দেশের নিরাপত্তা বাহিনী পূর্ণ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

সোমবার রাত ১২টা থেকে নেপাল-ভারত সীমান্তের সমস্ত প্রধান চেকপয়েন্ট ৭২ ঘন্টার জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই বন্ধ বৃহস্পতিবার রাত ১২টা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা, তাই নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না। নির্বাচনের সময় নেপাল ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত বন্ধ করার একটি দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্য রয়েছে। কোনও অবাঞ্ছিত উপাদান যাতে সীমান্ত অতিক্রম না করে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে সেজন্য এটি করা হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নেপালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো, 'ডিজিটাল প্রজন্ম' ভোট দিতে চলেছে। ৫ মার্চের নির্বাচনে, দেশের ১ কোটি ৯০ লক্ষ ভোটার তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন, যার মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ নতুন তরুণ ভোটারও রয়েছেন। গত সেপ্টেম্বরে, দুর্নীতি, অশাসন এবং পৃষ্ঠপোষকতা-কেন্দ্রিক অর্থনীতির বিরুদ্ধে দুই দিনের যুব বিক্ষোভে ৭৭ জন প্রাণ হারান, যার মধ্যে প্রথম দিনেই পুলিশের গুলিতে ১৯ জন তরুণ নিহত হন। নির্ধারিত সময়ের দুই বছর আগে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনকে নেপালের পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলার একটি সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নেপালের ৩ কোটি মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের ঢেউ বয়ে যেতে চলেছে। 

অভ্যুত্থানের পর নেপালে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত
গত বছরের সেপ্টেম্বরে সহিংস 'জেন Z আন্দোলন'-এর পর কে.পি. শর্মা ওলির সরকারের পতনের কারণে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির স্থানীয় কর্তৃপক্ষও বিদেশী লাইসেন্স প্লেটযুক্ত যানবাহন নিষিদ্ধ করেছে। নেপালের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় লাইসেন্স প্লেটযুক্ত যানবাহনের ব্যবহার সাধারণ হলেও, নির্বাচনের সময় এর উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

Advertisement

১ কোটি ৮৯ লক্ষেরও বেশি যোগ্য নেপালি বৃহস্পতিবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে।  ১৬৫টি আসনের জন্য ৩,৪০৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন এবার। নির্বাচনী প্রচার ২ মার্চ, সোমবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। ৫ মার্চ, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল ৫টায় শেষ হবে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাম প্রসাদ ভান্ডারী বুধবার সংবাদ মাধ্যমকর্মীদের বলেন, 'এবার ভোটদানের হার বৃদ্ধি পাবে এবং অবৈধ ব্যালট পেপারের শতাংশও হ্রাস পাবে।' তিনি নির্বাচন সফলভাবে পরিচালনার জন্য সকল পক্ষের সহযোগিতাও কামনা করেছেন।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement