Advertisement

Nepal : ভারতের এলাকাকে মানচিত্রে দেখানোর পরই চিনকে নোট ছাপানোর বরাত নেপালের, বিতর্ক আরও তীব্র

নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মুখপাত্র গুরুপ্রসাদ পাউডেল জানান, চিনের ওই  সংস্থার সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি হয়েছে। আগামী ৯ মাসের মধ্যে সংস্থাটি নোটগুলি সরবরাহ করা হবে। তারা নকশা জমা করবে ব্যাঙ্কে।

নেপালের নোট নেপালের নোট
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 02 Dec 2025,
  • अपडेटेड 4:16 PM IST
  • ভারতের বেশ কয়েকটি জায়গাকে নিজেদের ম্যাপে দেখিয়ে বিতর্ক বাড়িয়েছে নেপাল।
  • এবার তারা নোট ছাপানোর দায়িত্ব দিল চিনকে

ভারতের বেশ কয়েকটি জায়গাকে নিজেদের ম্যাপে দেখিয়ে বিতর্ক বাড়িয়েছে নেপাল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা দাবি করছিলেন, চিনের উস্কানিতে এরকম কাজ করছে নেপাল। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সেই দেশ চিনেরই এক সরকারি সংস্থাকে নোট ছাপার বরাত দিল। 

নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মুখপাত্র গুরুপ্রসাদ পাউডেল জানান, চিনের ওই  সংস্থার সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তি হয়েছে। আগামী ৯ মাসের মধ্যে সংস্থাটি নোটগুলি সরবরাহ করা হবে। তারা নকশা জমা করবে ব্যাঙ্কে। ব্যাঙ্ক অনুমোদন দিলে তবেই মুদ্রণ শুরু হবে।

সম্প্রতি একই চিনা সংস্থাকে ৪৩ কোটি ১০০০ টাকার নোটের নকশা এবং মুদ্রণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নোটগুলির স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হবে, এতে থাকবে নেপালের জাতীয় ফুল। সেখানে থাকা সাতটি ফুল নেপালের সাতটি প্রদেশের প্রতীক। পুরাতন ১০০০ টাকার নোটে এই বৈশিষ্ট্যটি ছিল না—অর্থাৎ এই নোটগুলি নতুন এবং দেখতেও আলাদা হবে।

নতুন নোটগুলিতে থাকবে নেপালের গভর্নর অধ্যাপক ড. বিশ্বনাথ পৌডেলের স্বাক্ষর। এই প্রথমবারের মতো কোনও নোটে তাঁর স্বাক্ষর থাকবে। চিন এর আগেও নেপালের নোট ছাপিয়েছে। এই একই চিনা কোম্পানি এর আগে নেপালের ৫, ১০, ১০০ এবং ৫০০ টাকার নোট তৈরি করেছে। চিনের ওই সংস্থা সবথেকে কম খরচে নোট ছাপছে বলে তাদের বরাত দেওয়া হয়েছে। 

সম্প্রতি নেপালের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক একটি নতুন ১০০ টাকার নোট জারি করেছে। সেখানে রয়েছে একটি নতুন মানচিত্র। এই মানচিত্রে কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা এলাকা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—যেসব এলাকা ভারত নিজেদের বলে দাবি করে। যদিও নেপাল পাল্টা দাবি করে থাকে, সুগৌলি চুক্তি (১৮১৬) অনুসারে মহাকালী নদীর পূর্বের এই অঞ্চলটি নেপালের অংশ। ২০২০ সালে, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির সরকার একটি রাজনৈতিক মানচিত্র প্রকাশ করে যেখানে এই অঞ্চলগুলিকে নেপালের ভূখণ্ড হিসেবে দেখানো হয়েছিল। পরে নেপালের সংসদ এই মানচিত্রটি অনুমোদন করে। 

ভারত যদিও নেপালের এই পদক্ষেপের তীব্র আপত্তি জানায়। ভারত সাফ জানিয়েছে, নেপাল যা করেছে তা একতরফা সিদ্ধান্ত। এভাবে কৃত্রিম সম্প্রসারণ মেনে নেওয়া হবে না। 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement