Advertisement

Pakistan: 'মাথা নিচু করে ভিক্ষে করতে হয়,' স্বীকার করে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী

নিজেদের কাঙাল দশা শিকার করে নিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি জানিয়েছেন, বহু দেশের থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ রয়েছে তাদের। আর ঋণ নেওয়ার জন্য নানারকমের শর্তও মেনে নিতে হয় মাথা হেঁট করে। অসহায় অবস্থার কথা নিজেই তুলে ধরলেন পাক প্রধানমন্ত্রী।

শেহবাজ শরিফ শেহবাজ শরিফ
  • কলকাতা ,
  • 31 Jan 2026,
  • अपडेटेड 11:18 AM IST
  • পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি
  • কাঙাল পাকিস্তানের হাঁড়ির হাল জানালেন তিনি
  • ঋণ নেওয়ার জন্য নানারকমের শর্তও মেনে নিতে হয়

দৈন্যদশা আর লুকোতে পারলেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। নিজেই প্রকাশ্যে দেশের অসহায়তার জন্য দুঃখপ্রকাশ করে ফেললেন। সম্প্রতি একটি ভাষণে শেহবাজ শরিফ স্বীকার করে নিলেন, পাকিস্তান সম্পূর্ণরূপে বিদেশি আর্থিক সাহায্য এবং নানা ধরনের প্যাকেজের উপর নির্ভরশীল। ঋণ চেয়ে চেয়ে দেশের মুখ আন্তর্জাতিক স্তরে একেবারে পুড়ে গিয়েছে, এ কথাও মেনে নিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী। 

আবেগপ্রবণ হয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন, 'আমি কীভাবে বলব আমরা কোন কোন বন্ধু দেশের থেকে ঋণ চেয়েছি! সেই দেশগুলি আমাদের হতাশ করেনি যদিও। কিন্তু ঋণ যে নিতে যায় তার মাথা হেঁট তো থাকবেই।' তিনি স্পষ্ট ভাবে স্বীকার করেছেন, যখন কোনও দেশ আর্থিক সাহায্য চায় তখন তাকে তার আত্মসম্মানের সঙ্গে আপস করতে হয়। অনেক বাধ্যবাধকতা থাকে। এক একটা সময়ে যা মেনে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, 'ব্যক্তিগত ভাবে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশ কয়েকটি দেশে তিনিও সফর করেছেন। IMF প্রোগ্রাম বাঁচাতে কোটি কোটি ডলার সাহায্যের অনুরোধ করেছি।' লক্ষ্যণীয়, পাকিস্তানের পুরো অর্থনীতি বর্তমানে ঋণের উপর নির্ভরশীল। IMF কঠোর শর্ত মেনে চলার জন্য সরকার জনসাধারণের উপর ভারী কর এবং মুদ্রাস্ফীতি চাপিয়ে দিচ্ছে। 

পাকিস্তান কেবল IMF এবং বিশ্বব্যাঙ্কের কাছে ঋণী নয় বরং চিন ও সৌদি আরবের কাছ থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণের বোঝায় চাপা পড়ে রয়েছে। তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫২.৩৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, শেহবাজ শরিফের বক্তব্য প্রমাণ করে, পাকিস্তান এখন সম্পূর্ণরূপে ঋণের ফাঁদে আটকে পড়েছে এবং সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস করা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই তাদের কাছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement