
পরিষ্কার হয়েছে। এর ফলে রাশিয়া বেলারুশে পারমাণু অস্ত্র মোতায়েনের মাধ্যমে ইউক্রেনের ওপর চাপ বাড়াবে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এর আগে রবিবার, রাশিয়া নিউক্লিয়ার ডিটারেন্ট ফোর্সকে হাই অ্যালার্ট থাকার নির্দেশ দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। পুতিনের এই পদক্ষেপকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে আমেরিকা।
পরমাণু অস্ত্র স্থাপনের এই ধরনের হুমকি বিশ্বের অন্যান্য দেশে আগে থেকেই ছিল। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নিজেই বেলারুশের প্রেসিডেন্টকে ফোন করে রাশিয়াকে এভাবে সাহায্য না করতে বলেছেন। প্রসঙ্গত, এটি ইতিমধ্যেই জানা গেছে যে বেলারুশ পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের জন্য সবুজ সংকেত দিয়েছে, তারপরে ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ফোন করেন। এখন এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, প্রতিটি ফ্রন্টে রাশিয়ার সঙ্গে বেলারুশকে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে ইউক্রেনের পক্ষ থেকেও দাবি করা হচ্ছে। ইউক্রেনের নিউজ ওয়েবসাইট Kyiv Independent-এর মতে, বেলারুশিয়ান প্যারাট্রুপারদের ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মোতায়েন করা হয়েছে। বলা হচ্ছে ওই প্যারাট্রুপারদের পাঠানো হচ্ছে Ilyushin Il-76 পরিবহন বিমানের মাধ্যমে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের আজ পঞ্চম দিন। এদিকে রাশিয়ার সেনাবাহিনী ইউক্রেনের বিভিন্ন শহর ধ্বংস করে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। শুক্রবার থেকে রাশিয়ার সেনাবাহিনী রাজধানী কিয়েভে পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছে, তবে এখন পর্যন্ত তা সফল হয়নি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে বলেছেন যে আগামী ২৪ ঘণ্টা ইউক্রেনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ইতোমধ্যে ইউক্রেন অন্যান্য দেশ থেকেও সাহায্য পেতে শুরু করেছে। ইউক্রেনে ৫০০ স্টিঙ্গার মিসাইল অস্ত্র পাঠাচ্ছে আমেরিকা। ইউক্রেন দাবি করেছে যে রুশ হামলায় এখন পর্যন্ত তাদের ৩৫২ জন মারা গেছে, একইভাবে আহত হয়েছে ১,৬৮৪ জন।
আগামী সময়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে আলোচনারও আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ইউক্রেন বলেছে যে তারা বেলারুশের সীমান্তে চেরনোবিল এলাকার কাছে রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা করতে প্রস্তুত।