
আফগানিস্তানে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। আর সেই হামলার পরই ভয়ঙ্কর পাল্টা দেওয়ার হুঙ্কার দিল তালিবান। তাদের তরফ থেকে ইসলামাবাদ, করাচি ও কোয়েটায় হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
বালখ প্রদেশের তালিবান গভর্নরের মুখপাত্র হাজি জাহিদ এই হুমকি দেন। তাঁর দাবি, পাকিস্তানের হামলার পর চুপ করে বসে থাকা হবে না। বরং পাকিস্তানের বড় শহর ইসলামাবাদ, করাচি এবং কোয়েটাতে হামলা হবে। ভয়ঙ্কর হামলা চালানো হবে।
আসলে হঠাৎই কাবুল ও কান্দাহারসহ আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান। আর তার প্রত্যুত্তর জোরালভাবে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিলেন হাজি জাহিদ।
প্রসঙ্গত, হাজি জাহিদ মূলত বালখ প্রদেশের তালিবান গভর্নর হাজি ইউসুফ ওয়াফা-র হয়ে কথা বলেন। তিনি তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা মোল্লা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হয়। শুধু তাই নয়, এই নেতা উত্তর আফগানিস্তানে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিও বটে। তাই মনে করা হচ্ছে, বাস্তবেও পাকিস্তানকে জবাব দেবে আফগানিস্তান।
কেন হঠাৎ আক্রমণের হুমকি?
চলছে রমজান মাস। আর সেই মাসের শেষ দশ দিনেই আবার আফগানিস্তানে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। তালিবান জানিয়েছে, পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কাবুল, কান্দাহর, পাক্তিয়া, পাক্তিয়ার মতো এলাকায় এয়ারস্ট্রাইক করেছে। তাদের তরফে বোমা বর্ষণ করা হয়েছে।
আর এই হামলার ফলে অনেকের মৃত্যু হয়েছে বলেও খবর। সেই তালিকায় রয়েছে শিশু থেকে নারী। এমনকী এই হামলায় ধ্বংস হয়েছে বাড়িঘর বলেও অভিযোগ করেছে তালিবান।
এই হামলার পরই ভয়ঙ্কর প্রত্যুত্তর দেবে বলে ঘোষণা করে দিল আফগানিস্তান। তাদের তরফ থেকে হাজি জাহিদ এই বার্তা দিলেন। এখন দেখার ঠিক কবে পাকিস্তানের করাচি, ইসলামাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে হামলা শুরু করে দেয় পাকিস্তান।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান। আর এই বয়ানে আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল যে পরিস্থিতি এখনই ঠান্ডা হওয়ার নয়। বরং যুদ্ধ উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। যদিও বর্তমানে সারা বিশ্বই চাইছে যাতে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি সামলে নেওয়া যায়। কিন্তু পাকিস্তান তো পাকিস্তানেই রয়েছে। যার ফলে উত্তপ্ত হয়েছে পরিস্থিতি।