
ইরান বনাম আমেরিকা, ইজরায়েল যুদ্ধ চলছে। আর এই যুদ্ধে সারা পৃথিবীর অবস্থাই খারাপ। পাশাপাশি ইতিমধ্যেই প্রাণ হারিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই। আর তার মৃত্যুর পর থেকেই ইরানের পরবর্তী নেতা হিসেবে মোজতবা আলি খামেনেইকে নিয়ে জল্পনা চলছিল। আর অবশেষে তিনিই বসলেন মসনদে। তাঁর নামই ঘোষণা হল পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে।
আর এই বিষয়টাকে একবারেই ভালভাবে নেয়নি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তাঁরা আগেই হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যেই হোক না কেন, তাঁকে টার্গেট করা হবে।
যদিও এই হুমকিকে পাত্তা দিতে রাজি নয় ইরান। তারা মনে করছেন, এটা ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়। সার্বভৌমত্বের বিষয়। এমন পরিস্থিতিতে দেখার যে মোজতবা ঠিক কতদিন ইরানে শাসন করতে পারেন!
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভির পক্ষ থেকে খবর মিলেছে, মোজতবা খামেনেইকে যে সুপ্রিম লিডার করা হবে, এটা জানাই ছিল। তিনি নিজের পিতার খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেনার সম্পর্কও বেশ ভাল। তাই তাঁকেই বেছে নেওয়া হয় ইরানের পরবর্তী শাসক হিসেবে।
যদিও তাঁকে হুমকি দিয়ে রেখেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, 'আমেরিকার পরামর্শ না নিয়ে যদি ইরানের পরবর্তী শাসক বেছে নেওয়া হয়, তাহলে আমরা তাঁকে টার্গেট করব। আমরা চাই এমন কাউকে যিনি ইরানে শান্তি এবং একতা নিয়ে আসবেন।'
এখানেই শেষ না করে তিনি ভেনেজুয়েলার উদাহরণও দেন। তিনি হুঙ্কার দিয়ে বলেন, 'আমরা এমন কাউকে চাই না যিনি পুরনো ধারণা নিয়ে ইরান চালাবেন।'
ইজরায়েলও ওয়ার্নিং দিয়েছেন
ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও এমনই থ্রেট দিয়েছেন। তাঁর কথায়, 'ইরানের যে কোনও নেতা যিনি আমেরিকা বিরোধী বা ইজরায়েল বিরোধী পদক্ষেপ নেবেন, তাঁর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা ওই রেভোলিউশনারি গার্ডের কাউকে রেওয়াত করব, যাঁরা সারেন্ডার করবে। বাকি কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।'
আর এমন পরিস্থিতিতে অনেকে মনে করছেন যে এখন থেকেই মোজতবার পিছনে পড়ে যাবে ইজরায়েল এবং আমেরিকা। তাঁর প্রাণ সংশয়ের আশঙ্কাও রয়েছে।
ভারতের পরিস্থিতি খারাপ
এই যুদ্ধকালীন অবস্থায় খারাপ অবস্থায় ভারতের। দাম বেড়েছে এলপিজি-এর। এমনকী তেলের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও রয়েছে। এমন অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব কথোপকথনের মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের কথা বলছে ভারত।