Advertisement

US Iran Tensions: ইরানে এখনই সামরিক অভিযান নয়, আচমকা ইচ্ছে বদল ট্রাম্পের; কেন?

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। সেই প্রতিবাদকে শান্ত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে গুলি। তাতে প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। আর এমন পরিস্থিতিতেই ইরানের উপর সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বর্তমানে একটু শান্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আপাতত ইরানের উপর সেনা হামলা চালানো হবে জানিয়ে দেন। তার বদলে ইরানের পক্ষ থেকে যে ব্যাকডোর কমিউনিকেশন বা পিছনের দ্বার দিয়ে কথোকথনের মেসেজ দেওয়া হয়েছিল, সেটাই বিবেচনা করছে আমেরিকা।

আমেরিকা-ইরানের দ্বন্দ্বআমেরিকা-ইরানের দ্বন্দ্ব
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 13 Jan 2026,
  • अपडेटेड 4:52 PM IST
  • ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে
  • সেই প্রতিবাদকে শান্ত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে
  • ইরানের উপর সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। সেই প্রতিবাদকে শান্ত করতে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে চালানো হচ্ছে গুলি। তাতে প্রাণ যাচ্ছে সাধারণ মানুষের। আর এমন পরিস্থিতিতেই ইরানের উপর সামরিক হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বর্তমানে একটু শান্ত হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আপাতত ইরানের উপর সেনা হামলা চালানো হবে জানিয়ে দেন। তার বদলে ইরানের পক্ষ থেকে যে ব্যাকডোর কমিউনিকেশন বা পিছনের দ্বার দিয়ে কথোকথনের মেসেজ দেওয়া হয়েছিল, সেটাই বিবেচনা করছে আমেরিকা।

মাথায় রাখতে হবে, ইরানের উপর খাপ্পা রয়েছেন ট্রাম্প। তিনি তেহরানে সেনা অভিযান করারও হুমকি দিয়ে রেখেছেন। শুধু তাই নয়, ইরানের সঙ্গে যেই সব দেশ ব্যবসা করছে, তাদের উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক বসানোর ইঙ্গিতও দেন। আর তাতেই নতুন করে বিশ্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি গরম হয়ে গিয়েছে।

আসলে সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তপ্ত রয়েছে ইরান। সেই সব প্রতিবাদীদের কড়া হাতে দমন করছে সরকার। যার ফলে ইতিমধ্যেই ৬০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর গ্রেফতারের সংখ্যা হাজারেরও বেশি। এমন পরিস্থিতিতে ইরানে সেনা অভিযান চালাতে চেয়েছে আমেরিকা। ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, প্রতিবাদকারীর উপর যদি ইরানের সরকার হামলা চালায়, তাহলে সেটা একদমই ভাল হবে না। তিনি হুমকি দেন, 'লাইন ক্রস করতে চলেছে ইরান।'

তবে বর্তমানে ট্রাম্প আবার নিজের ইচ্ছের থেকে পিছনে এসেছেন। তিনি আপাতত ইরানে হামলা চালাবেন না বলেই খবর। এই মুহূর্তে আমেরিকার সেনাকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানের কিছু আধিকারিক হোয়াইট হাইজে যোগাযোগ করেছেন। তাই আপাতত সেনা হামলা করা হবে না।

হোয়াইট হাউজের ক্যারোলিন লেভিট বলেন, 'ইরান সামনে এক কথা বলছে আর গোপনে এক কথা বলছে। প্রেসিডেন্ট সেই সব মেসেজ খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখতে চাইছেন।' তিনি আরও জানান যে ট্রাম্প চাইলে যে কোনও মুহূর্তে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। আর ইরান সেটা জানে বলেও জানান তিনি।

Advertisement

ইতিমধ্যেই ট্রাম্প ইরানের উপর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করতে চাইছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা করা হয়েছে যে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলির উপর ২৫ শতাংশের উপর শুল্ক চাপানো হবে। আর তাতে ইউএই, তুর্কি, ব্রাজিল এবং রাশিয়ার উপর চাপ পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও আমেরিকার পক্ষ থেকে এখনও তেমন কোনও নোটিফিকেশন সামনে আনা হয়নি।

Read more!
Advertisement
Advertisement