Advertisement

Trump Iran War Update: মধ্যপ্রাচ্যে হাজার হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি, ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নয়া প্ল্যান কী?

শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না ইরান যুদ্ধ। বরং এর উত্তাপ দিনের পর দিন বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মতো তিনি হাজার হাজার মার্কিন সেনা এই অঞ্চলে মোতায়েন করার কথা বিবেচনা করছেন। এটাই ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন বাজি হতে পারে। এমনটাই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

ইরানে আরও সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকাইরানে আরও সেনা পাঠাচ্ছে আমেরিকা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 7:46 AM IST
  • শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না ইরান যুদ্ধ
  • মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
  • সেই মতো তিনি হাজার হাজার মার্কিন সেনা এই অঞ্চলে মোতায়েন করার কথা বিবেচনা করছেন

শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না ইরান যুদ্ধ। বরং এর উত্তাপ দিনের পর দিন বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর কথা বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই মতো তিনি হাজার হাজার মার্কিন সেনা এই অঞ্চলে মোতায়েন করার কথা বিবেচনা করছেন। এটাই ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের নতুন বাজি হতে পারে। এমনটাই জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

রয়টার্স সূত্রে খবর, তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এই যুদ্ধ। এমন পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে আরও বিকল্প তুলে দিতে চাইছেন সেনা কর্তারা। সেই উদ্দেশ্যেই সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।

এই বিষয়ে এক মার্কিন কর্মকর্তা এবং বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত তিনজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেন, 'ট্রাম্প প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যে তাদের অভিযানকে শক্তিশালী করতে চাইছে। সেই মতো হাজার হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।' 

কেন এত সেনা নামাতে চাইছে ট্রাম্প?
মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করতে চাইছেন ট্রাম্প। তার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে চাইছেন তিনি। মাথায় রাখতে হবে, এই অঞ্চলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সমুদ্র পথ। আর যুদ্ধ শুরুর পর এখান থেকে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে সারা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়েছে। যদিও এতদিনে হরমুজ প্রণালীতে স্থিতাবস্থা ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

সেই মতো ইরানের উপকূল বরাবর মার্কিন স্থলবাহিনী মোতায়েন হতে পারে। এছাড়া মার্কিন আধিকারিকরা ইরানের খার্গ দ্বীপে বাহিনী পাঠানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেছেন। এই দ্বীপ থেকেই ইরানের প্রায় ৯০% তেল রপ্তানি হয়।

যদিও একজন মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এই অভিযান 'খুবই ঝুঁকিপূর্ণ' হতে পারে। কারণ, এমন অভিযান চালালেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে দ্বীপটিতে হামলা চালাতে পারে।

এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের মজুত থাকা ইউরেনিয়াম সুরক্ষিত করার বিষয়েও আলোচনা করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মিশনটাও অত্যন্ত জটিল এবং ঝুঁকিপূর্ণ কাজ।

Advertisement

তবে এত পরিকল্পনার পর এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গে এক হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, 'এই মুহূর্তে স্থলবাহিনী পাঠানোর কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব বিকল্প খোলা রাখছেন।'

তিনি আরও জানান, ট্রাম্প এখনও 'অপারেশন এপিক ফিউরি'-এর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। এই অভিযানের মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র  ধ্বংস করা, নৌবাহিনীকে দুর্বল করা এবং তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিকে আটকে দিতে চাইছেন তিনি।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement