Advertisement

ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের পথে বড়সড় বাধা ব্রিটেনের, হাওয়া গরম হচ্ছে ইউরোপেও

ইরান-আমেরিকার দ্বন্দ্ব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এমনিতেই চরমে উঠেছে। এরমধ্যেই হাওয়া গরম হয়ে উঠছে ইউরোপেও। এবার আমেরিকাকে সরাসরি 'না' করে দিল ব্রিটেনের কেয়ার স্টারমার সরকার।

ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের পথে বড়সড় বাধা ব্রিটেনেরট্রাম্পের ইরান আক্রমণের পথে বড়সড় বাধা ব্রিটেনের
Aajtak Bangla
  • লন্ডন,
  • 20 Feb 2026,
  • अपडेटेड 7:57 AM IST
  • ইরান-আমেরিকার দ্বন্দ্ব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এমনিতেই চরমে উঠেছে।
  • এরমধ্যেই হাওয়া গরম হয়ে উঠছে ইউরোপেও।
  • আমেরিকাকে সরাসরি 'না' করে দিল ব্রিটেনের কেয়ার স্টারমার সরকার।

ইরান-আমেরিকার দ্বন্দ্ব ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এমনিতেই চরমে উঠেছে। এরমধ্যেই হাওয়া গরম হয়ে উঠছে ইউরোপেও। এবার আমেরিকাকে সরাসরি 'না' করে দিল ব্রিটেনের কেয়ার স্টারমার সরকার। ইরানের উপর সম্ভাব্য হামলার জন্য ব্রিটিশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে অনুমতি দিতে নারাজ ব্রিটেন। বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্রিটেন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনার পারদ চড়চে পারে। যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে চাগোস দ্বীপপুঞ্জের ভবিষ্যতের উপর। 

ব্রিটেনের তরফে মার্কিন অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়েছে, এই ধরনের আক্রমণের অংশ হওয়া আদতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করতে পারে। স্থানীয় রিপোর্ট মোতাবেক, আমেরিকা ব্রিটেনের কাছে গ্লুচেস্টারশায়ারের কাছে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্স বেস ফেয়ারফোর্ড এবং ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দিয়েগো গার্সিয়া ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল। কিন্তু ব্রিটেন অনুমতি দিতে নারাজ। আসলে, এই সামরিক ঘাঁটিগুলি ব্রিটেন এবং US যৌথভাবে ব্যবহার করে। কিন্তু কোনও আক্রমণের জন্য ব্যবহার করতে হলে আনুষ্ঠানিক ভাবে উভয়কেই অনুমতি নিতে হয়।

ব্রিটিশ সরকার স্পষ্ট ভাবে আমেরিকাকে জানিয়ে দিয়েছে, কোনও সামরিক পদক্ষেপে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে তারা আন্তর্জাতিক আইন ও নিজস্ব নীতি কঠোরভাবে মেনে চলবে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইরানের উপর মার্কিন হামলায় ব্রিটেন সরাসরি কোনও ভাবেই যোগ দিচ্ছে না।

ট্রাম্পের কী মনোভাব?

ব্রিটেনের এমন পদক্ষেপে বেজায় চটেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্রিটিশ সরকারের অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ইরানের মোকাবিলায় আমেরিকার ডিয়েগো গার্সিয়া এবং ফেয়ারফোর্ডের মতো ঘাঁটির প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ব্রিটেনের এহেন পরিকল্পনা মস্ত ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প।

চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে কী বিরোধ?

ব্রিটেন  মরিশাসের কাছে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ হস্তান্তরের পরিকল্পনা করেছে। ব্রিটেন দ্বীপপুঞ্জগুলি মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করার এবং দিয়েগো গার্সিয়াকে ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এক্ষেত্রে একটি ৩৫ বিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তিও হচ্ছে বলে দাবি। এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত ঘাঁটি। কিন্তু চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনার কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

Advertisement


 

Read more!
Advertisement
Advertisement