Advertisement

India Strategic Role Against China: চিনকে চাপে রাখতে ওয়াশিংটনের 'প্ল্যান ইন্ডিয়া', কী চাল দিচ্ছেন ট্রাম্প?

চিনকে আটকানোর দীর্ঘকালীন পথ খুঁজছে আমেরিকা। আর এই কাজে ভারত কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, সেই দিকেও নজর রাখছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সেই মতো চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনের আমেরিকা-চিন ইকোনোমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিই কমিশন প্রথম পাবলিক সেশন করতে চলেছে।

ভারত, আমেরিকা ও চিনভারত, আমেরিকা ও চিন
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 30 Jan 2026,
  • अपडेटेड 7:41 AM IST
  • চিনকে আটকানোর দীর্ঘকালীন পথ খুঁজছে আমেরিকা
  • সেই কাজে ভারত কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, সেই দিকেও নজর রাখছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন
  • সেই মতো চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনের আমেরিকা-চিন ইকোনোমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিই কমিশন প্রথম পাবলিক সেশন করতে চলেছে

চিনকে আটকানোর দীর্ঘকালীন পথ খুঁজছে আমেরিকা। আর এই কাজে ভারত কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে, সেই দিকেও নজর রাখছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। সেই মতো চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনের আমেরিকা-চিন ইকোনোমিক অ্যান্ড সিকিউরিটি রিভিই কমিশন প্রথম পাবলিক সেশন করতে চলেছে।

এর মাধ্যমে ভারতের আন্তর্জাতিক অবস্থান থেকে শুরু করে সামরিক ক্ষমতা এবং আমেরিকা-চিনের সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক খতিয়ে দেখা হবে। তার মাধ্যমেই চিন-আমেরিকা ও ভারত, এই তিন অক্ষের সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য খোঁজার চেষ্টা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া এই অধিবেশনে ভারত-চিনের সীমান্ত সমস্যা থেকে করে সামরিক ক্ষমতা, ভারত মহাসাগরে প্রতিযোগিতার মতো বিষয়গুলি নিয়ে হবে আলোচনা। তারপরই মার্কিন দেশের পক্ষ থেকে কোনও কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে খবর।

কেন আমেরিকা দুশ্চিন্তায়? 
আসলে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন ভাল নয়। আর এমন পরিস্থিতিতে নরেন্দ্র মোদী ৭ বছর পর বেজিং ভ্রমণ করেছেন। শুধু তাই নয়, চিনের সংস্থাদের জন্য ভারতের মার্কেটের দরজা কিছুটা হলেও খুলে দিয়েছে ইন্ডিয়া। যার ফলে চিন্তা বাড়ছে ট্রাম্পের দেশের। তাই তাঁরা ভারত ও চিনের বর্ডার সংক্রান্ত সমস্যা থেকে শুরু করে, ভারত মহাসাগরে প্রতিযোগিতা এবং ইন্দো-পেসিফিক অঞ্চলে ভারতের নিরপত্তা সংক্রান্ত ক্ষমতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবে। তারপরই চিনের বিরুদ্ধে ভারতের সঙ্গে জোট বাঁধা যায় কি না, সেটা ঠিক করা হবে।

ভারতের নীতিতে পরিবর্তন
গালওয়ান ইস্যুর পর ভারত এবং চিনের মধ্যে উত্তপ্ত হয়েছিল পরিস্থিতি। তবে আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক বৈরিতা শুরুর পর চিনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তারপর চিনের সংস্থাদের জন্য ভারতের দ্বার অনেকটাই খুলে গিয়েছে। আর এই ঘটনাকেই নয়াদিল্লির নীতি পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি তারা মনে করছে, ভারত এখন এআই, সেমিকন্ডাক্টর থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস, সব ক্ষেত্রেই বিদেশি নির্ভরতা কাটাতে চাইছে। আর এটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ নীতি। 

পাশাপাশি তারা বুঝতে চাইছেন ভারত-চিনের সঙ্গে হাত মেলালে আমেরিকার কতটা ক্ষতি হতে পারে। আর যদি নয়াদিল্লির সঙ্গে বন্ধুত্ব করা হয়, তাহলেই বা কী হতে পারে।  

Advertisement

মাথায় রাখতে হবে, ২০২৬-এর এপ্রিলে চিনে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আগেই চিন এবং ভারতের সম্পর্ক বুঝে নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। সেই মতো কূটনৈতিক চাল দেবে তারা বলে মনে করা হচ্ছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement