Advertisement

Crude Oil Prices: যদি যুদ্ধ থামেও, তেলের দাম কমবে না, কেন?

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ চলছে। যার ফলে ব্যাহত তেল সরবরাহ। মোটামুটি গোটা বিশ্বেই তৈরি হয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। এর ফলে তেলের দামও বাড়ছে।

তেলের দাম কমবে না কেন?তেলের দাম কমবে না কেন?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:36 PM IST
  • এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ চলছে
  • যার ফলে ব্যাহত তেল সরবরাহ
  • এর ফলে তেলের দামও বাড়ছে

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ চলছে। যার ফলে ব্যাহত তেল সরবরাহ। মোটামুটি গোটা বিশ্বেই তৈরি হয়েছে জ্বালানি সঙ্কট। এর ফলে তেলের দামও বাড়ছে।

এই যুদ্ধের আগে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল ব্যারেল পিছু ৬০–৭০ ডলারের আশেপাশে ছিল। তা এখন ১০০ ডলার ছাড়িয়ে ১১০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। অর্থাৎ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই প্রায় ৫০–৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে দাম।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দাম বৃদ্ধির একটি বড় কারণ হল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়া। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা IEA-এর অনুমান, যুদ্ধ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। 

US এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ক্রুড অয়েল বাণিজ্যের প্রায় ২০ শতাংশ যায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে। সেই রুট এখন কার্যত বন্ধ করে রেখেছে ইরান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পরও সেটি খুলছে না। যার ফলে ট্যাঙ্কারগুলোকে অন্য পথে ঘুরিয়ে পাঠানো হচ্ছে। সেগুলি যাতায়াতের সময় বাড়ছে। আর শিপিং ও ইনস্যুরেন্সের খরচও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। যার ফলে ক্রুড অয়েল আগের মতো সহজে বাজারে পৌঁছতে পারছে না।


আর এই সমস্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো উদ্বেগ প্রকাশ করছে। IEA বলছে, সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ তেল সরবরাহ সঙ্কট এটি। এখানে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথে ব্যাপকভাবে তেল সরবরাহ কমে গিয়েছে।

IMF সতর্ক করে জানিয়েছে, এই সংঘাত আরও কতদিন চলবে এবং পরিকাঠামোর কতটা ক্ষতি হয়েছে, তার ওপর তেলের দামের প্রভাবের স্থায়িত্ব নির্ভর করবে। 

তেল সঙ্কটের সহজ সমাধান নেই
যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের বেশ কিছু তেল উত্তোলন পরিকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। উৎপাদন পুনরায় শুরু করা একটি চ্যালেঞ্জ। পরিকাঠামো পুনর্নির্মাণ ও সরবরাহ রুট স্বাভাবিক করাও এক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

IMF ও শিল্প নিয়ে গবেষণা করা একাধিক সংস্থার অনুমান, এমন বিপর্যয়ের পর আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে কয়েক মাস, কখনও কখনও কয়েক বছর সময় লেগে যায়।

Advertisement

একই সঙ্গে, বিশ্ব বাজারে ধাক্কা সামলানোর মতো অতিরিক্ত ক্ষমতাও সীমিত। OPEC-এর বাড়তি উৎপাদন ক্ষমতা কয়েকটি দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যার ফলে বিপদ থাকছেই। এই কারণেই যুদ্ধ শেষ হলেও তেলের দাম দ্রুত না কমতেও পারে।

মাথায় রাখতে হবে, তেলের দাম বাড়াটা শুধু জ্বালানির সমস্যা তৈরি করছে না, এর পাশাপাশি পণ্য পরিবহণ খরচও বাড়াবে। পাশাপাশি সার উৎপাদনে জ্বালানির প্রয়োজন বেশি হওয়ায় তারও দাম বাড়ছে। যার ফলে কৃষি ক্ষেত্র থেকে বিমান পরিবহণ, রাসায়নিক, উৎপাদনশিল্প সব ক্ষেত্রেই চাপ বাড়তে পারে। এর ফলে মুদ্রস্ফীতি বাড়তে পারে। অর্থাৎ সামনে খুব কঠিন দিন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement