Advertisement

Assam Elections 2026: ভোট দেবে অসম, 'নীরবতা পর্ব' শুরু আজই, বিকেল ৫টায় সব প্রচার বন্ধ

এই সময়সীমার মধ্যে সমস্ত ধরনের নির্বাচনী প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী জনসভা, মিছিল, র‍্যালি বা প্রচারমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারবে না। শুধু অফলাইন নয়, অনলাইন ক্ষেত্রেও একইভাবে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬
Aajtak Bangla
  • গুয়াহাটি,
  • 07 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:04 PM IST
  • সব জনসভা, প্রচার বন্ধ হচ্ছে
  • রাজনৈতিক নেতাদের এলাকা ছাড়তে হবে
  • এগজিট পোল বের করা যাবে না

ছাব্বিশের প্রথম বিধানসভা ভোটগ্রহণ। ৯ এপ্রিল অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার ভোট দেবে অসমবাসী। আগামী ৫ বছর কোন সরকার ক্ষমতায় আসবে,তার ভাগ্য পরীক্ষা ওই দিনই। অসমের ভোটের রেজাল্ট বেরোবে ৪ মে। পশ্চিমবঙ্গ সহ বাকি ৪ রাজ্যেও ওই দিনই রেজাল্ট। 

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে অসমে বাধ্যতামূলক ‘নীরবতা পর্ব’ কার্যকর করার ঘোষণা করল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৭ এপ্রিল বিকেল ৫টা থেকে এই নীরবতা পর্ব শুরু হবে এবং ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগের ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। ১৯৫১ সালের রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অ্যাক্টের ১২৬ ধারা অনুযায়ী এই নিয়ম চালু করা হয়, যার উদ্দেশ্য ভোটের ঠিক আগে নির্বাচনী প্রচারের উপর নিয়ন্ত্রণ রেখে ভোটারদের স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।

সব জনসভা, প্রচার বন্ধ হচ্ছে

এই সময়সীমার মধ্যে সমস্ত ধরনের নির্বাচনী প্রচার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। অর্থাৎ কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থী জনসভা, মিছিল, র‍্যালি বা প্রচারমূলক অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারবে না। শুধু অফলাইন নয়, অনলাইন ক্ষেত্রেও একইভাবে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কোনও ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বিজ্ঞাপন বা কনটেন্ট প্রচার করা যাবে না। এমনকি বাল্ক এসএমএস, ফোন কল, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ বা অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করলেও তা আইনভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এই ‘নীরবতা পর্ব’এর মূল লক্ষ্য হল একটি সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করা, যেখানে শেষ মুহূর্তে কোনও পক্ষ অতিরিক্ত সুবিধা নিতে না পারে। এই সময় ভোটারদের উপর চাপ সৃষ্টি করা, প্রভাব খাটানো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর যে কোনও প্রচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে। নিয়ম ভঙ্গের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যার মধ্যে জরিমানা বা ফৌজদারি পদক্ষেপও থাকতে পারে।

Advertisement

রাজনৈতিক নেতাদের এলাকা ছাড়তে হবে

এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হল, যে সব রাজনৈতিক নেতা, কর্মী বা প্রচারক সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার নন এবং বাইরে থেকে প্রচারের জন্য এসেছেন, তাঁদের প্রচার শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে। এই নির্দেশ কার্যকর করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই, ভোটের আগে কোনও বাইরের প্রভাব যেন ভোটারদের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ না করতে পারে।

এগজিট পোল বের করা যাবে না

এই নীরবতা পর্ব চলাকালীন টেলিভিশন, রেডিও বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে কোনও মতামত সমীক্ষা বা এগজিট পোলের ফলাফল প্রচার বা প্রকাশ করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্বাচন কমিশনের মতে, এই ধরনের তথ্য ভোটারদের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পক্ষে ক্ষতিকর।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অনুরাগ গোয়েল সকল রাজনৈতিক দল, প্রার্থী এবং সংবাদমাধ্যমকে এই নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনও রকম নিয়মভঙ্গ বরদাস্ত করা হবে না এবং আইন অনুযায়ী কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement