পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চর্চার কেন্দ্রে ভবানীপুর আসনটি। এই কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখান থেকে জিতেই তিনি মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন।
বর্তমানে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি হলেও স্বাধীনতার পর এই আসনে প্রথমবার জিতেছিল কংগ্রেস। এমনকী নির্দল প্রার্থীরও এখানে ভোটে জেতার ইতিহাস রয়েছে।
তারপর এই আসনের নাম বদলে হয় কালীঘাট। তখন কংগ্রেস, সিপিআইএম এখানে জয় পায়। যদিও ১৯৭৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই আসনটা অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল।
২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এই আসনে এগিয়ে যায়। সেই ভোটে এখানে জেতেন সুব্রত বক্সী। তারপর সেই বছরই এই আসনে উপনির্বাচনে জিতে আসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২০১৬-তে এখানে আবার জয়ী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম-কংগ্রেস প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দেন। তিনি আবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেন।
২০২১ সালে প্রথমে এই আসনে দাঁড়াননি মমতা। তিনি নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন। তাঁর জায়গায় এখানে দাঁড়ান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনিও প্রচুর ভোটে জেতেন।
তারপর ২০২১ সালে আবার এই আসনে উপনির্বাচনে প্রার্থী হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বিপুল ভোট পেয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন।
বর্তমানে এই আসনটিকে নিয়েই চর্চা রয়েছে তুঙ্গে। তৃণমূলের অভিযোগ প্রচুর যোগ্য ভোটারকে SIR-এর মাধ্যমে বাদ দেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে বিজেপির দাবি, ভুয়ো ভোটারদের নিয়ে ভোট জিতেছে তৃণমূল। তাই নাম বাদ যাওয়ায় তৃণমূল ভয়ে কাঁপছে।
এখন দেখার ২০২৬-এর ইলেকশনে ঠিক কী হয়। এই আসনে তৃণমূল জেতে, নাকি বিজেপির দাবি সত্যি হয়। যদিও তার জন্য ভোটের ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।