Advertisement

নির্বাচন

West Bengal Elections 2026: কেউ সত্তরোর্ধ্ব, কেউ অশীতিপর, TMC-র প্রবীণরা এখনও কত 'নবীন'? টিকিট পাবেন?

Aajtak Bangla
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Feb 2026,
  • Updated 1:17 PM IST
  • 1/6

তৃণমূল বিধায়কদের মধ্যে কারও বয়স সত্তর পেরিয়েছে। কেউ সত্তর ছুঁইছুঁই। গত পাঁচ বছরে কারও আবার গোঁসা বেড়েছে তৃণমূলের ওপর। কেউ আবার দুর্নীতিতে জড়িয়ে অশীতিপর হওয়া সত্ত্বেও একটুও অপ্রাসঙ্গিক হননি তৃণমূলে। এখন বিষয় হল, ২০২৬ এর নির্বাচনে যদি তাঁরা ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে গেলেও পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে আরও বৃদ্ধ হবেন। আরও পাঁচ বছর বিধায়ক হয়ে থাকার জন্য তাঁরা কতটা কর্মক্ষম? তৃণমূলের প্রবীণ নেতাদের তালিকায় কারা রয়েছেন? 
 

  • 2/6

এর মধ্যে সর্বপ্রথম যাঁর নাম আসে তিনি হলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বয়স হয়েছে ৮২। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতে জন্ম তাঁর। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মধ্যে একজন তিনি। তৃণমূলের হেভিওয়েট আসন ভবানীপুরে জিতেও তিনি উপ-নির্বাচনে এই আসন ছেড়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। পরিবর্তে খড়দহ বিধানসভা আসনে লড়ে জেতেন। দু'সপ্তাহ আগে বাজেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল নিয়ে আলোচনায় বিতর্ক শুরু হয়। বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন খোদ পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তাঁর মাইক বন্ধ করে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে ক্ষোভ, খারাপ লাগা প্রকাশ করেন তিনি। ক্ষোভ কমাতে পরিষদীয় মন্ত্রীর ঘরে গিয়ে কথা বলেন স্পিকার। এখন এটাই দেখার বয়সের কথা ভেবে এবারের নির্বাচনে তাঁকে টিকিট দেওয়া হবে কিনা। কারণ, এবছর নির্বাচনে লড়ার পর পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকলে তাঁর বয়স হবে ৯০ ছুঁইছুঁই। 
 

  • 3/6

এর পরে যাঁর নাম আসে তিনি হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (৭১)। গত পাঁচবছরে তিনি একাধিকবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাজনীতিতে তিনি বিশেষ প্রাসঙ্গিক নন। তৃণমূলের মঞ্চে তাঁকে আর আগের মতো দেখা যায় না। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন মদন। তারপর রাজ্যের মন্ত্রী হন। ২০১৬ সালে হার ৪ হাজারের কিছু কম ভোটে। ২০২১ সালে ফের প্রত্যাবর্তন হয় তাঁর। তবে অসুস্থতা নিয়েও তিনি ভোটে দাঁড়ালে জয় নিয়ে আশাবাদী। তবে তাঁর সাফ কথা, "দল সবটা ঠিক করবে তাই করব।"
 

  • 4/6

প্রবীণদের তালিকায় রয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক (৬৮)। বয়স সত্তর ছুঁইছুঁই। তিনিও রেশন দুর্নীতিতে জেলে ছিলেন। জেলে থাকতে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া, হাই সুগারের মতো রোগে বেশ ভুগেছেন তিনি। আলিপুর কমান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীনও ছিলেন। তাঁর শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিলষ তবে ২০২৫-এর ফেব্রুয়ারিতে তাঁর জেলমুক্তি হয়। এবারের নির্বাচনের আগে তিনি 'ফিট অ্যান্ড ফাইন' বলেই মনে করা যেতে পারে। তার কারণ, বারাসাত সাংগঠনিক জেলার কমিটিতে কো-কনভেনর পদ পান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর দায়িত্ব বাড়ানো হয়। ভোটে জিততে ফের জ্যোতিপ্রিয়ের ওপরই ভরসা রাখতে পারে তৃণমূল।
 

  • 5/6

রয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য (৭০) এবং চিরঞ্জিত চক্রবর্তীও (৭০)। চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। বারাসতের বিধায়ক তথা অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী টানা তিনবারের জয়ী বিধায়ক। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছিলেন, মানুষের জন্য কাজ করার যে এনার্জি প্রয়োজন, বয়সের ভারে তা ক্রমশ ক্ষীণ হয়ে আসছে। তবে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মন্ত্রী। তিনি দলে খুবই প্রাসঙ্গিক। শারীরিকভাবেও দাপিয়ে কাজ করছেন। তাঁর ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।
 

  • 6/6

সত্তরোর্ধ্বের মধ্যে রয়েছেন বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। তাঁর বয়স হয়েছে ৭৬। তবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি একাধিকবার বেসুরো হয়েছেন। কার্যত দলের বোঝা হয়ে রয়েছেন মনোরঞ্জন। তৃণমূল এবার তাঁকে টিকিট দেবে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট ধন্দ রয়েছে।
 

Advertisement
Advertisement