Advertisement

WB Election: ভোটে মহিলাদের সামনে রেখে অশান্তি ছক? কমিশন সূত্রে চাঞ্চল্যকর তথ্য

মহিলাদের সামনে রেখে গোলমাল বাঁধানোর চক্রান্ত করা হয়েছে। সেই মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কমিশনকে সতর্ক করেছে। তাই এখন কমিশন নিরাপত্তার সমস্ত দিকটা খেয়াল রাখছে। 

পশ্চিমবঙ্গ ভোটে অশান্তির আশঙ্কাপশ্চিমবঙ্গ ভোটে অশান্তির আশঙ্কা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 08 Apr 2026,
  • अपडेटेड 3:36 PM IST
  • মহিলাদের সামনে রেখে গোলমাল বাঁধানোর চক্রান্ত করা হয়েছে
  • সেই মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কমিশনকে সতর্ক করেছে
  • তাই এখন কমিশন নিরাপত্তার সমস্ত দিকটা খেয়াল রাখছে

ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূল কংগ্রেস এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি। আর সেই আবহেই সরাসরি তৃণমূলকে বার্তা দিল কমিশন। এ দিন তৃণমূল কংগ্রেস এবং নির্বাচন কমিশনের মধ্যে একটি গরমাগরম বৈঠক হয়। সেখানে কমিশনের পক্ষ থেকে তৃণমূলকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই বার পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন হবে ভয়বিহীন, হিংসাবিহীন, হুমকিবিহীন, প্রলোভনবিহীন ও ছাপ্পাবিহীন। এই ভোটে বুথ জ্যাম করা বা ভোটারকে আটকে দেওয়ার মতো কাজ করতে দেওয়া হবে না। পাশাপাশি মহিলা বাহিনীকে সামনে রেখে গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হলেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান হয়েছে।

আসলে আজ সকাল থেকেই দিল্লিতে ভোটারদের নাম বাদ নিয়ে কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল তৃণমূলের একটি দল। সেই বৈঠকে তীব্র বাদানুবাদ হয় বলেই খবর। সেখান থেকে বেরিয়ে এসেই নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তৃণমূলের প্রতিনিধিদলের সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েন। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ তাঁদের ‘গেস্ট লস্ট’ বলেন। যদিও ডেরেকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরাসরি কিছু বলেনি ইসি। তবে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে যে বৈঠকের সময় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্যেরা চিৎকার করছিলেন। তখন শিষ্টাচার মানার অনুরোধ করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ।


গোয়ান্দাদের কী দাবি?
কলকাতায় কমিশনের সিইও দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলাদের সামনে রেখে গোলমাল বাঁধানোর চক্রান্ত করা হয়েছে। সেই মতো গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কমিশনকে সতর্ক করেছে। তাই এখন কমিশন নিরাপত্তার সমস্ত দিকটা খেয়াল রাখছে। 

কমিশন সূত্র আরও জানিয়েছে, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও ভয়হীন ভোট করতে সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হবে। এমনকী মহিলাদের স্পর্শ না করেও কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, সেটাও নিশ্চিত করছে কমিশন। সেই মতো নিরাপত্তা বাহিনীকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হবে।

পাশাপাশি কমিশন দাবি করেছে, রাজ্যে নির্বাচন চলাকালীন বা নির্বাচন পরবর্তী সময়েও কোনওরকম হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। এক্ষেত্রে কমিশন জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে। হিংসায় যুক্ত যে কোনও ব্যক্তি, তিনি যতই প্রভাবশালী হোন না কেন, তাঁকে ছাড়া হবে না। তাঁকে আইনের আওতায় আনা হবে।

Advertisement

এছাড়া কমিশনের সূত্র জানা যাচ্ছে, এবার রাজ্যের প্রতিটি বুথে লাইভ ওয়েবকাস্টিং থাকবে। কোনও ক্যামেরা নষ্ট করার চেষ্টা বা রেকর্ডিং বন্ধ করার চেষ্টা হলে তার পরিণাম হতে পারে ভয়াবহ। এমন পরিস্থিতিতে ভোটগ্রহণ বাতিল পর্যন্ত হতে পারে। প্রয়োজনে কমিশন আবার নতুন করে ভোট করতেও পারে সেই ভোটে। এমনটাই তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকেও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement