Advertisement

বাড়িতে বন্দুক আছে? জমা দেওয়ার ডেডলাইন দিয়ে দিল কমিশন

নির্বাচনের আগে এই ধরনের নির্দেশ নতুন নয়। প্রতি নির্বাচনের আগেই ভোটের পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার নিয়ম চালু করে নির্বাচন কমিশন। এর মূল উদ্দেশ্য, ভোট চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক দল বা অসাধু ব্যক্তি যাতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখাতে বা প্রভাবিত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Mar 2026,
  • अपडेटेड 10:37 AM IST
  • আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।
  • নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ২৭ মার্চ অর্থাৎ শুক্রবারের মধ্যে সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা করতে হবে।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার করতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামী ২৭ মার্চ অর্থাৎ শুক্রবারের মধ্যে সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা করতে হবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলার জেলাশাসক (ডিএম), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি)-কে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

নির্বাচনের আগে এই ধরনের নির্দেশ নতুন নয়। প্রতি নির্বাচনের আগেই ভোটের পরিবেশকে শান্তিপূর্ণ ও সন্ত্রাসমুক্ত রাখতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্র জমা দেওয়ার নিয়ম চালু করে নির্বাচন কমিশন। এর মূল উদ্দেশ্য, ভোট চলাকালীন কোনও রাজনৈতিক দল বা অসাধু ব্যক্তি যাতে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখাতে বা প্রভাবিত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

কমিশনের এই নির্দেশের পর তৎপর হয়েছে প্রশাসনও। সোমবার বিকেলেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা শহরের ডিসি (ডেপুটি কমিশনার)-দের নির্দেশ দিয়েছেন, ২৬ মার্চের মধ্যে কলকাতা পুলিশের অধীন এলাকায় থাকা সমস্ত লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র জমা নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে, যাতে কোনও রকম ঝুঁকি বা বিলম্ব না থাকে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন থানায় মাইকিং, নোটিস পাঠানো এবং ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগের মাধ্যমে লাইসেন্সধারীদের দ্রুত অস্ত্র জমা দেওয়ার জন্য জানানো হচ্ছে। যারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অস্ত্র জমা দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, এই পদক্ষেপ নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় অতীতে ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটেছে, সেখানে এই ধরনের কড়াকড়ি আরও বেশি প্রয়োজন।

সব মিলিয়ে, নির্বাচন কমিশনের এই নির্দেশ স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে, ভোট হবে শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে। আর সেই লক্ষ্যেই আগেভাগেই সব ধরনের ঝুঁকি এড়াতে চাইছে কমিশন ও প্রশাসন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement