
'আপনারা মমতাদিদির ক্ষমতা জানেন না। মমতাদি এমন ২ থেকে ৪ ভিডিও বানাতে পারেন। হুমায়ুন কবীর এবং ভারতীয় জনতা পার্টি নর্থ পোল-সাউথ পোল। আমরা কখনও মিলে যেতে পারব না। আমরা বাংলায় যে বাবরি মসজিদ তৈরি করতে চাইছে, তার সঙ্গে বসার থেকে আরও ২০ বছর বিরোধী আসনে থাকতে রাজি।', আজ হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বিজেপির যোগ নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে এমনটাই বললেন বিজেপি নেতা তথা দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
আসলে বৃহস্পতিবার থেকেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। ওই দিন তৃণমূলের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয় (এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in)। সেই ভিডিওতে কিছু কথা বলতে দেখা যায় হুমায়ুনকে-
অজ্ঞাত ব্যক্তি: '১০০০ কোটি টাকা?'
হুমায়ুন: 'আপনার থেকে ১০০০ কোটি টাকা চাইছি, আমি ৩০০ কোটি টাকা রেখে দেব। বিহারে নীতীশ কুমার ঠিক এটা করেছিল।'
অজ্ঞাত ব্যক্তি: 'হ্যাঁ।'
অজ্ঞাত ব্যক্তি: 'মুসলিমরা খুব ভোলাভালা। সাদাসিধে হয়।'
হুমায়ুন: 'হ্যাঁ, ওদের বোকা বানানো খুব সহজ কাজ। আজকের দিনে ১০০টা মুসলমানকে আমার ব্যাপারে খারাপ কথা বললেই আপনাকে মেরে দেবে। করে দেখে নিন।'
অজ্ঞাত ব্যক্তি: 'আপনি মুসলমানদের ইমোশনটা ধরে ফেলেছেন।'
অজ্ঞাত ব্যক্তি: 'বাবরি মসজিদের পুরো ইমোশনটা ধরে ফেলেছেন আপনি।'
হুমায়ুন: 'জেনে শুনেই তো এটা তুলেছিলাম। আমাকে অনেকে বলেছিল বাবরি মসজিদ নামটা ছেড়ে দাও। অন্য কোনও নামে মসজিদ করো। কিন্তু অন্য় নামে মসজিদ করলে আবেগটা আর থাকত না।'
আর এই ভিডিওটা দেখিয়ে হুমায়ুন এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে তৃণমূল। তাঁদের দাবি, বিজেপির থেকে হাজার কোটি টাকা নিয়েই ধর্মের নামে ভোট চাইছে হুমায়ুন। এটা বিজেপি এবং হুমায়ুনের প্ল্যান। তার তৃণমূলকে হারাতে একযোগে খেলা খেলছে।
যদিও এই দাবি মানতে চাননি হুমায়ুন। তিনি গতকালই অভিযোগ করেন, এটা এআই ভিডিও। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম এবং কুনাল ঘোষ মিলিতভাবে এই চক্রান্ত করেছে। তাই তিনি এদের মানহানীর হামলা করবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।
আর আজ এই বিষয়টা নিয়ে মুখ খুললেন শাহ। তাঁরও দাবি, এই ভিডিও তৈরি করেছেন মমতা। বিজেপির সঙ্গে হুমায়ুনের কোনও সম্পর্ক নেই।