Advertisement

কমিশন পাঠাচ্ছে তামিলনাড়ু, অব্যাহতি চাইলেন IPS সুপ্রতিম সরকার

এদিকে, সুপ্রতিম সরকারের নেতৃত্বেই রাজ্য সিআইডি সম্প্রতি মালদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। জানা যায়, অভিযুক্ত পালানোর আগে বাগডোগরা বিমানবন্দরের পথে তাঁকে আটক করা হয়।

Supratim SarkarSupratim Sarkar
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 04 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:31 AM IST
  • প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে এবার তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ ঘিরে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।
  • জানা গিয়েছে, এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন তিনি।

প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে এবার তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ ঘিরে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন তিনি।

প্রাক্তন কলকাতা পুলিশ কমিশনার হিসেবে সুপ্রতিম সরকারের কার্যকাল ছিল অত্যন্ত কম। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি তিনি ওই পদে দায়িত্ব নেন। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পরদিন, অর্থাৎ ১৬ মার্চ, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে রাজ্য সরকার তাঁকে সিআইডি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেয়।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ১৫ জন আইপিএস আধিকারিককে তামিলনাড়ু, কেরল ও নাগাল্যান্ডে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। সেই তালিকায় সুপ্রতিম সরকারও ছিলেন। তবে পরবর্তীতে কমিশন পাঁচজন আধিকারিককে এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। বাকি ১০ জনের মধ্যে দু’জন ইতিমধ্যেই ব্যক্তিগত কারণে ছাড় চেয়ে আবেদন করেছেন। সুপ্রতিম সরকারের আবেদনও এখন বিবেচনাধীন বলে সূত্রের খবর।

এদিকে, সুপ্রতিম সরকারের নেতৃত্বেই রাজ্য সিআইডি সম্প্রতি মালদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। জানা যায়, অভিযুক্ত পালানোর আগে বাগডোগরা বিমানবন্দরের পথে তাঁকে আটক করা হয়।

এপ্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ওই গ্রেফতারের অভিযান সিআইডি-ই চালিয়েছে, স্থানীয় পুলিশ নয়। তাঁর কথায়, 'ওদের গ্রেফতার করল কে? সিআইডি ওদের হাতেনাতে ধরেছে। সিআইডি নির্বাচন কমিশনের আওতাভুক্ত নয়। এখন একমাত্র সিআইডিই আমাকে রিপোর্ট করে। সেই সিআইডিই আসল অপরাধীদের ধরেছে।'

এদিকে, নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই নির্বাচন কমিশন মোট ৩১ জন আইপিএস আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। রাজ্য সরকারের একাংশের অভিযোগ, যাঁদের আগে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের অযোগ্য বলে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাঁদেরই আবার অন্য রাজ্যে নির্বাচনী দায়িত্বে পাঠানো হচ্ছে। যা কার্যত পরস্পরবিরোধী সিদ্ধান্ত।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement