Advertisement

Arvind Kejriwal-Mamata Banerjee :'বাংলায় জিততে কমিশনকে অস্ত্র করছে বিজেপি', মমতার পাশে দাঁড়িয়ে অভিযোগ কেজরিওয়ালের

এদিন এক্স পোস্টে কেজরিওয়াল লেখেন, 'বিজেপি প্রতারণার মাধ্যমে ভোট জিততে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের অস্ত্রে পরিণত করেছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে যা হচ্ছে, দিল্লির নির্বাচনের সময়ও ঠিক তাই হয়েছিল। বাংলাতেও চক্রান্ত করছে গেরুয়া শিবির।' 

মমতা পাশে কেজরিওয়াল মমতা পাশে কেজরিওয়াল
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ও কলকাতা ,
  • 19 Mar 2026,
  • अपडेटेड 8:00 PM IST
  • তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের পাশে আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল
  • মমতার সুরেই তাঁর দাবি, ভোটে জিততে নির্বাচন কমিশনকে মনের মতো ব্যবহার করছেন অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদীরা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের পাশে আম আদমি পার্টির আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মমতার সুরেই তাঁর দাবি, ভোটে জিততে নির্বাচন কমিশনকে মনের মতো ব্যবহার করছেন অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদীরা। 

ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম মুখ কেজরিওয়াল। বিজেপি চক্রান্ত করে তাঁকে গ্রেফতার করিয়েছিল, এই অভিযোগ করে এসেছেন বারবার। তাঁর দলের বিজেপি বিরোধিতা সর্বজনবিদিত। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হওয়া দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল আম আদমি পার্টি পরিচালিত সরকার। ওই নির্বাচনে কেজরিওয়াল, মনীশ সিসোদিয়া এবং সত্যেন্দ্র জৈনের মতো একাধিক শীর্ষ নেতা পরাজিত হয়েছিলেন। 

সম্প্রতি আদালতের রায়ে দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। ক্ষমতায় না থাকলেও কেন্দ্র সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রথম সারিতেই থাকেন দিল্লির একাধিকবারের মুখ্যমন্ত্রী। 

এদিন এক্স পোস্টে কেজরিওয়াল লেখেন, 'বিজেপি প্রতারণার মাধ্যমে ভোট জিততে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের অস্ত্রে পরিণত করেছে। আজ পশ্চিমবঙ্গে যা হচ্ছে, দিল্লির নির্বাচনের সময়ও ঠিক তাই হয়েছিল। বাংলাতেও চক্রান্ত করছে গেরুয়া শিবির।' 

তাঁর আরও অভিযোগ, দিল্লির নির্বাচনের সময় ভোটার তালিকা থেকে নাম কেটে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ বিজেপিকে ছাড় দিয়েছিল। গোটা প্রশাসন গেরুয়া শিবিরের জয় নিশ্চিত করতে কাজ করেছিল। তাঁর কথায়, 'গণতন্ত্রের মূল কাঠামো ছিন্নভিন্ন করে দেওয়া হয়েছিল। আজ মমতা দিদিও গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই লড়ছেন। এই লড়াইয়ে আমরা তাঁর পাশে আছি।' 

এদিকে নির্বাচন কমিশনের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করে ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে বৃহস্পতিবার ফের চিঠি দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আগে ৫০-এর বেশি শীর্ষ আধিকারিককে ইচ্ছামতো সরিয়ে দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বলে দাবি করেন। কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে দাবি করেন,'এই ধরনের পদক্ষেপ প্রতিষ্ঠানগুলির পরিকল্পিত রাজনীতিকরণ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement