Advertisement

West Bengal Vote: ভোটের আগে কীভাবে কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী? ঠিক হয়ে গেল কমিশন ও পুলিশের বৈঠকে

ছাব্বিশের ভোট এসেই গেল। হাতে আর মাত্র বড়জোর একমাস। তাই ইতিমধ্যেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাচাই করতে শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন। সেই মতো সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শীর্ষ পুলিশ এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। 

বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকবাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠক
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Feb 2026,
  • अपडेटेड 9:31 AM IST
  • ছাব্বিশের ভোট এসেই গেল
  • হাতে আর মাত্র বড়জোর একমাস
  • রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাচাই করতে শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন

ছাব্বিশের ভোট এসেই গেল। হাতে আর মাত্র বড়জোর একমাস। তাই ইতিমধ্যেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাচাই করতে শুরু করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন কমিশন। সেই মতো সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শীর্ষ পুলিশ এবং নিরাপত্তা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। 

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সিইও, যুগ্ম সিইও, রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, ডিজি আইন শৃঙ্খলা বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকার ও সেন্ট্রাল রিজার্ভ ফোর্সের আইজি সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। এই বৈঠকে ভোট সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কী কী সিদ্ধান্ত হয়?
১. প্রথমত ঠিক করা হয়, কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসছে। তারা সরাসরি নির্ধারিত এলাকায় যেন পৌঁছে যেতে পারে। অপ্রয়োজনীয় সময় নষ্ট করা হবে না। 
২. সিআরপিএফ বাহিনী কোথায় কোথায় যাবে, তাদের মুভমেন্ট পর্যবেক্ষণে রাখবেন নির্বাচনী আধিকারিকরা। 
৩. তথ্যগত অসঙ্গতি সংক্রান্ত মামলার দায়িত্বে থাকা বিচারকদের জন্য রাজ্যের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। 

কেন বৈঠক? 
এই বৈঠক নিয়ে মুখ খুলেছে সব পক্ষই। তাদের তরফ থেকে জানান হয়, ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ হয়, সবাই যাতে ঠিক ঠাক ভোট দিতে পারে। কোথাও যেন ঝামেলা না হয়, সেটা ঠিক করতে বৈঠক করা হল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশ প্রশাসন একসঙ্গে মিলেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা করা হবে বলে জানান হয়। 

কেন নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা? 
বিরোধীদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ভোটের সঙ্গে হিংসা সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। মারপিট, বোমাবাজি সবই হয়ে গিয়েছে সাধারণ বিষয়। এমনকী ভোটের সময় মানুষের মৃত্যুও ঘটতেই থাকছে। আর এই পরিস্থিতিতেই বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মীদের এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে বিজেপি, বাম, কংগ্রেস সহ সব বিরোধীরাই। আর এমন পরিস্থিতিতে অনেক আগে থেকেই পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা নিয়ে কাজে লেগে পড়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া হয়েছে। সেই বাহিনী মোতায়েন হবে ১ মার্চই। 

Advertisement

আর এখানেই থেমে না থেকে ভোটের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠক কসেরে ফেললেন নির্বাচন কমিশনার। তাঁরা ঠিক করে ফেললেন কীভাবে কাজ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা নিয়েও একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। এখন দেখার ভোটের আগে এর প্রভাব ঠিক কতটা পড়ে। 


   

 

Read more!
Advertisement
Advertisement