Advertisement

প্রতীকের ভাই পুলকিত ও বৌদি বার্বির উপর কেন সন্দেহ? I-PAC মামলায় ED-র তদন্তে কী কী উঠে এল?

I PAC-এর অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়। ED প্রতীক জৈনের ভাই পুলকিত এবং তাঁর স্ত্রী বার্বিকে ১৫ এপ্রিল দিল্লির দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য তলব করেছে বলে সূত্রের খবর। কী নিয়ে সন্দেহ তাঁদের উপর?

প্রতীক জৈন (বাঁ দিকে), কুলদীপ ও বার্বি জৈন (ডান দিকে) প্রতীক জৈন (বাঁ দিকে), কুলদীপ ও বার্বি জৈন (ডান দিকে)
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 15 Apr 2026,
  • अपडेटेड 9:07 AM IST
  • প্রতীক জৈনের ভাই পুলকিত এবং তাঁর স্ত্রী বার্বিকে সমন
  • ১৫ এপ্রিল দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ
  • কী নিয়ে সন্দেহ তাঁদের উপর?

বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে I PAC-এর অর্থ পাচার মামলায় নতুন মোড়। ED প্রতীক জৈনের ভাই পুলকিত এবং তাঁর স্ত্রী বার্বিকে ১৫ এপ্রিল দিল্লির দফতরে হাজিরা দেওয়ার জন্য তলব করেছে বলে সূত্রের খবর। 

এর আগে প্রতীক জৈনের বাড়িতে ED তল্লাশি চালায়। তল্লাশির সময়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। যার পর তল্লাশি মাঝপথেই বন্ধ হয়ে যায়। ED-র আধিকারিকদের সন্দেহ, প্রতীকের ভাই ও ভাইয়ের বউ এই এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানেন এবং তদন্তের সময়েও তাঁদের নাম উঠে এসেছে। 

এই সমন জারি হয়েছে I PAC-এর ডিরেক্টর ভিনেশ চান্দেলের গ্রেফতারির পরই। যা আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ED-র তৎপরতা বাড়াবে বলেই ইঙ্গিত। 

ভিনেশ চান্দেল, সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা, ডিরেক্টর এবং ৩৩ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার। তাঁকে সোমবার দিল্লিতে ED-র হেডকোয়ার্টার্সে ইনভেস্টিগেশন ইউনিট গ্রেফতার করে। এই গ্রেফতারি হয়েছে প্রিভেনশনস অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) ২০০২-এর অধীনে দিল্লি পুলিশের দায়ের করা FIR-এর ভিত্তিতে। 

ED-র দাবি, তদন্তে I PAC-এর বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে রয়েছে হিসাবমুক্ত ও অঘোষিত অর্থগ্রহণ, কোনও নির্ভরযোগ্য ব্যবসায়িক ভিত্তি ছাড়াই ঋণ প্রদান, ভুয়ো ইনভয়েস জারি এবং তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন। এছাড়াও হাওয়ালার মাধ্যমে, এমনকী আন্তর্জাতিক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। 

আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি টাকার অপরাধজনিত আয়ের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যা তদন্তে এগোলে আরও বাড়তে পারে। 

গ্রেফতারের পর ভিনেশ চান্দেলকে দিল্লির একটি আদালতে তোলা হয়। যেখানে ১৩ এপ্রিল রাত থেকে ১৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত শুনানি চলে। আদালত ED-কে ১০ দিনের হেফাজত দিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। 

ED জানিয়েছে, একাধিক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়ান নেওয়া হয়েছে এবং তল্লাশিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ উদ্ধার হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, কোম্পানির ডিরেক্টরদের বিরুদ্ধে দায়বদ্ধতার ধারাও প্রয়োগ করা হয়েছে। যদি অপরাধ তাদের সম্মতি, যোগসাজশ বা গাফিলতির ফলে ঘটে থাকে। 

Advertisement

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে পশ্চিমবঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক ভাবে সংবেদনশীল মামলায় ED-র তল্লাশি ও তদন্ত চলছে। নির্বাচনের ঠিক আগে এই তৎপরতা শুরু হওয়ায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। 

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রক্রিয়া জানিয়ে এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছেন। নির্বাচনের সময়ের সঙ্গে এই পদক্ষেপের যোগসূত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে ED-র বক্তব্য, তদন্ত প্রমাণ এবং আইনি প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই এগোচ্ছে এবং মামলার আরও তদন্ত চলছে। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement