Advertisement

Election Commission: জেলে বসে ভোট করানো আটকাতে কড়া কমিশন, প্যারোল স্থগিত, চলবে সারপ্রাইজ ভিজিট

প্রত্যেক ভোটেই জেল থেকে ভোট করানোর একাধিক অভিযোগ আসে 'বাহুবলী'-দের বিরুদ্ধে। আর তাই রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিকে ‘স্পর্শকাতর অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত করে একগুচ্ছ কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন।

সংশোধবনাগারের জন্য কড়া ব্যবস্থাপনা সংশোধবনাগারের জন্য কড়া ব্যবস্থাপনা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:55 PM IST
  • জেল থেকে ভোট করানো আটকাতে কড়া কমিশন
  • সংশোধনাগারগুলিকে ‘স্পর্শকাতর অঞ্চল’ হিসেবে চিহ্নিত
  • একাধিক কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

ভয়মুক্ত ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। বিশেষ নজরদারি করা হবে রাজ্যের সমস্ত সংশোধনাগারে। তার মধ্যে রয়েছে সারপ্রাইজ ভিজিট, প্যারোল স্থগিতের নির্দেশ থেকে শুরু করে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে নেটওয়ার্ক জ্যামিং। 

প্রায় প্রত্যেক ভোটেই জেল থেকে ভোট করানোর একাধিক অভিযোগ আসে 'বাহুবলী'-দের বিরুদ্ধে। আর তাই রাজ্যের সংশোধনাগারগুলিকে ‘স্পর্শকাতর অঞ্চল’ হিসেবেই দেখছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কড়া নজরদারির। এছাড়া কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে? 

সারপ্রাইজ ভিজিট: কমিশনের নির্দেশ, জেলের প্রতিটি অংশে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ বা হঠাৎ তল্লাশি চালাতে হবে। এই তল্লাশি চলবে সংশোধনাগারের ওয়ার্ড, ব্যারাকগুলিতে। নজর রাখতে হবে ভোটে প্রভাব ফেলতে চেষ্টা করছেন কি না, কোনও প্রার্থী। 

প্যারোল স্থগিত: কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, কোনও বন্দিকে প্যারোলে মুক্তি বা অস্থায়ী ছুটি দেওয়া যাবে না। কোনও কারণে দিতে হলেও জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের লিখিত অনুমতি লাগবে। তা-ও সেটি হতে হবে অত্যন্ত মানবিক কোনও পরিস্থিতি। 

মোবাইল বাজেয়াপ্ত: নিয়মিত এবং ঘন ঘন চেকিং করতে হবে যাতে বাইরে যোগাযোগ আটকানো যায়। জেলের ভিতর থেকে বন্দিদের একাংশ মোবাইলে ভোট নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে কমিশন। তাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাজেয়াপ্ত করতে হবে সমস্ত মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, হেডফোন, চার্জার। 

জ্যামার: সব জেলে থাকা জ্যামারগুলির ১০০ শতাংশকে কাজ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। প্রতিদিন পরীক্ষা করতে হবে জ্যামার সিস্টেমগুলিকে। লক্ষ্য রাখতে হবে, জেলের ভিতরে কোনও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকে।

এছাড়াও নিয়মিত তল্লাশি করে সংশোধনাগার থেকে নগদ টাকা, মদ, মাদকও বাজেয়াপ্ত করা হবে। বিশেষ করে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটের দিন তল্লাশি আরও কড়া করতে হবে। সব নির্দেশ পালন হয়েছে কি না সপ্তাহে দু’বার সেই বিষয়ে কমিশনে রিপোর্ট পাঠাতে হবে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে, কতগুলি সারপ্রাইজ ভিজিট হয়েছে, কতগুলি জ্যামার পরীক্ষা হয়েছে এবং কী কী জিনিস বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জেলে বসে ভোট করানোর আশঙ্কা দূর করতেই কমিশনের এই কড়া পদক্ষেপ বলে জানানো হয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement