Advertisement

DEO South Kolkata: ‘ইয়ার জ্বলনে ওয়ালে কো জ্বালায়েঙ্গে…’, দঃ কলকাতার DEO-র কাছে ব্যাখ্যা চাইল কমিশন

ওই পোস্টে একটি বলিউড গানের লিঙ্ক শেয়ার করা হয়, 'হাম প্যায়ার করনে ওয়ালে… ইয়ার জ্বলনে ওয়ালে কো জ্বালায়েঙ্গে…'। তার সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়, সকল ভোটারকে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে একইসঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে ‘গুণ্ডা’ ও ‘দাগী অপরাধীদের’। এমনকি তাঁদের ‘বার্নল’ ও ‘বোরোলিন’ মজুত রাখার কথাও বলা হয়, যা রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে কটাক্ষপূর্ণ এবং বিতর্কিত।

মনোজ কুমার আগরওয়াল।-ফাইল ছবিমনোজ কুমার আগরওয়াল।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 15 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:24 AM IST
  • দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।
  • ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন।

দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচন আধিকারিকের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে তীব্র বিতর্ক ছড়িয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে কমিশন। দক্ষিণ কলকাতার ডিইও-র কাছে অবিলম্বে লিখিত রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল।

নির্বাচন কমিশন বারবারই শান্তিপূর্ণ ও ভয়মুক্ত ভোটের আশ্বাস দিয়ে আসছে। সেই প্রেক্ষিতেই কমিশনের পক্ষ থেকে নানা সচেতনতা বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। কিন্তু তারই মাঝে দক্ষিণ কলকাতার ডিইও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ওই পোস্টে একটি বলিউড গানের লিঙ্ক শেয়ার করা হয়, 'হাম প্যায়ার করনে ওয়ালে… ইয়ার জ্বলনে ওয়ালে কো জ্বালায়েঙ্গে…'। তার সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা হয়, সকল ভোটারকে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। তবে একইসঙ্গে সতর্ক করা হয়েছে ‘গুণ্ডা’ ও ‘দাগী অপরাধীদের’। এমনকি তাঁদের ‘বার্নল’ ও ‘বোরোলিন’ মজুত রাখার কথাও বলা হয়, যা রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে কটাক্ষপূর্ণ এবং বিতর্কিত।

এই পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই সরব হয় তৃণমূল। দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, এই ধরনের ভাষা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী। দক্ষিণ কলকাতার ডিইও-কে অবিলম্বে অপসারণের দাবি জানিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, পোস্টটি মুছে ফেলার দাবিও তোলা হয়েছে।

তৃণমূলের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ধারা ১২৩(২) অনুযায়ী এই ধরনের মন্তব্য ‘দুর্নীতিমূলক কাজ’-এর পর্যায়ে পড়তে পারে, কারণ এতে ভোট প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের ইঙ্গিত রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন দ্রুত রিপোর্ট চেয়েছে। কেন এই পোস্ট করা হয়েছিল, তার উদ্দেশ্য কী, সবকিছুর বিস্তারিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের কাছে।

ভোটের আগে এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, নির্বাচনী প্রচারে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা কতটা বজায় থাকছে। এখন দেখার, কমিশনের রিপোর্টে কী উঠে আসে এবং এই বিতর্কের পরবর্তী পরিণতি কী হয়।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement