Advertisement

কার্গিলে দেশের জন্য লড়েছেন, ভোটার তালিকা থেকে মুছে গেল প্রাক্তন মেজর আজাদ আলির নাম

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনায়। দীর্ঘ ৩০ বছর দেশের সেবা করা এই প্রাক্তন সেনা, যিনি কার্গিল যুদ্ধসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরই নাম হঠাৎ করে মুছে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে।

আজাদ আলি।-ছবি সংগৃহীতআজাদ আলি।-ছবি সংগৃহীত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:16 AM IST
  • উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনায়।
  • দীর্ঘ ৩০ বছর দেশের সেবা করা এই প্রাক্তন সেনা, যিনি কার্গিল যুদ্ধসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরই নাম হঠাৎ করে মুছে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে।

উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে প্রাক্তন সেনা জওয়ান আজাদ আলির নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার ঘটনায়। দীর্ঘ ৩০ বছর দেশের সেবা করা এই প্রাক্তন সেনা, যিনি কার্গিল যুদ্ধসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরই নাম হঠাৎ করে মুছে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে।

জানা গিয়েছে, বাদুড়িয়া ব্লকের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা আজাদ আলি ২০৯ নম্বর বুথের ভোটার ছিলেন। সম্প্রতি প্রকাশিত সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকায় তিনি দেখেন, তাঁর নাম আর নেই। শুধু তাই নয়, পরিবারের আরও দু’জন সদস্যের নামও তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, যদিও তাঁদের কাছে প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি রয়েছে এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন আজাদ আলি। কর্মজীবনে তিনি কার্গিল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও ‘অপারেশন বিজয়’ এবং ‘অপারেশন পরাক্রম’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে যুক্ত ছিলেন। গত বছরের অক্টোবর মাসে সুবেদার পদে অবসর নেন তিনি।

এই ঘটনায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে আজাদ আলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, 'দেশের জন্য প্রাণ দিতেও প্রস্তুত ছিলাম। বড় বড় যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। অথচ আজ আমাকে নাগরিকত্বের প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হবে?'

স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার (BLO) জানিয়েছেন, বিষয়টি দুঃখজনক হলেও এখন একমাত্র উপায় ট্রাইবুনালে আবেদন করা।

এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চাপানউতোর, আর সাধারণ মানুষের মধ্যেও তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, যেখানে এক প্রাক্তন সেনার নামই তালিকা থেকে বাদ পড়ে, সেখানে অন্যদের ভবিষ্যৎ কতটা সুরক্ষিত?

 

Read more!
Advertisement
Advertisement