Advertisement

‘SIR’-এ নাম বাদ পড়ায় মিলল না লোন, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও 'ফ্রিজ' হয়ে যাবে? নয়া আশঙ্কা শুরু

অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও হয়ত জব্দ হয়ে যেতে পারে। যদিও আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই নাগরিক অধিকার বা আর্থিক পরিষেবায় বাধা নয়।

 কাল প্রথম SIR-র সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, প্রকাশ হবে কখন? সময় জানিয়ে দিল কমিশন কাল প্রথম SIR-র সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, প্রকাশ হবে কখন? সময় জানিয়ে দিল কমিশন
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:14 AM IST
  • ব্যাঙ্ক ও আর্থিক সংস্থাগুলোর মতে, ঋণ মঞ্জুর করার আগে আবেদনকারীর নথিপত্রের বৈধতা যাচাই করা হয়।
  • আধার, প্যান বা অন্যান্য পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট দফতরের পোর্টালের মাধ্যমেই খতিয়ে দেখা হয়।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার জেরে চরম সমস্যায় পড়লেন কলকাতার এক পরিচারিকা। এসআইআই প্রক্রিয়ার প্রভাব যে শুধুমাত্র ভোটাধিকারেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং মানুষের আর্থিক জীবনেও গভীর প্রভাব ফেলতে পারে, এই ঘটনাই তার বড় উদাহরণ।

একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, টাংরার বাসিন্দা ৩৩ বছর বয়সী ওই মহিলা অভিযোগ করেছেন, একটি নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক সংস্থা বা NBFC তাঁর নতুন ঋণের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাঁর নাম বর্তমান ভোটার তালিকায় নেই। অথচ, ওই সংস্থাই এর আগে তাঁকে ঋণ দিয়েছিল এবং তাঁর সিবিল স্কোরও ভালো ছিল বলে স্বীকার করেছে।

জানা গেছে, দু’বছর আগে ৩৮ হাজার টাকার ঋণ নিয়েছিলেন ওই মহিলা এবং সময়মতো সমস্ত কিস্তি শোধও করেছিলেন। এরপর নতুন করে ২ লক্ষ টাকার ঋণের জন্য আবেদন করেন তিনি। প্রাথমিকভাবে সম্মতিও মিলেছিল। কিন্তু পরে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁর ভোটার পরিচয়পত্র আর বৈধ নয়, কারণ তালিকায় তাঁর নাম নেই।

ওই মহিলা জানান, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর বাবা-মায়ের নাম থাকলেও, সাম্প্রতিক তালিকায় নিজের নাম খুঁজে পাননি। নতুন ভাড়া বাড়িতে ওঠার জন্যই তিনি এই ঋণ নিতে চেয়েছিলেন। এখন বাধ্য হয়ে আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের কাছ থেকে টাকা ধার করার চেষ্টা করছেন।

এই ঘটনার পরই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে একটি আর্থিক সংস্থা জানতে পারল যে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় নেই? অনেকেরই ধারণা, আধার ও প্যান কার্ডের সঙ্গে ভোটার তথ্যের কোনও না কোনওভাবে সংযোগ তৈরি হচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও ব্যাখ্যা মেলেনি।

ব্যাঙ্ক ও আর্থিক সংস্থাগুলোর মতে, ঋণ মঞ্জুর করার আগে আবেদনকারীর নথিপত্রের বৈধতা যাচাই করা হয়। আধার, প্যান বা অন্যান্য পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট দফতরের পোর্টালের মাধ্যমেই খতিয়ে দেখা হয়। তবে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করা অনেক NBFC সংস্থা এখনও ভোটার কার্ডকেই গুরুত্বপূর্ণ পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

Advertisement

এদিকে, এই ঘটনাকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়লে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও হয়তো জব্দ হয়ে যেতে পারে। যদিও আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া মানেই নাগরিক অধিকার বা আর্থিক পরিষেবায় বাধা নয়।

আইনজীবীদের মতে, পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং অসংগতি মানুষের মনে অযথা ভয় তৈরি করছে। ফলে, বাস্তবের থেকে বেশি আতঙ্কই এখন সাধারণ মানুষের জীবনে প্রভাব ফেলছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement