
দেশের ১৯টা রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছে। আর তিনি একা বাংলার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যুত্তর দিচ্ছেন। আজ বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে এভাবেই নিশানা করলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজ সিউড়ির ইরিগেশন কলোনির মাঠের জনসভায় তিনি বলেন, 'রেলে করে লোক নিয়ে আসবে। এমনকী বাসে করে লোক আনবে। মোটাভাইদের জায়গা থেকেও লোক নিয়ে আসছে। খবর আমি জানি, ১৯টা রাজ্য আর ভারত সরকার সব মিলে একজায়গায় জড় হয়েছে। আমি একা লড়ে যাচ্ছি মানুষকে নিয়ে।'
আজও SIR নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম লিস্ট থেকে কেটেছিল। তিনি লড়াই করেছেন। তাঁর লড়াইয়ের জন্য ৩২ লক্ষ ভোটারের নাম জুড়ে গিয়েছে। আগামী দিনে এই সব ডিলিটেড ভোটাররাও যাতে লিস্টে জায়গা পায়, সেটাও দেখবেন তিনি।
রেলের প্রোজেক্ট নিয়ে যা দাবি
এ দিন তিনি দাবি করেন, বিজেপি সরকার আসার পর থেকে বাংলা রেলের কোনও প্রোজেক্ট পায়নি। যেই সকল প্রোজেক্ট আগে থেকেই তিনি চালু করেছিলেন, সেগুলিই রয়েছে।
যোগী নিয়ে কী দাবি?
আজ উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকেও আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর স্পর্ষ্ট হুঙ্কার, এখানে যোগীর বুলডোজার নীতি চলবে না। এখানে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চলবে না। তিনি করতে দেবেন না।
বাংলা ও বাঙালি...
মমতার বক্তব্যে আজও বাংলা এবং বাঙালির কথা উঠে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, বাঙালি বাইরের কোনও রাজ্যে গেলেই এখন আক্রমণ হচ্ছে। রাজস্থানে আক্রমণ হচ্ছে, দিল্লিতে আক্রমণ হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রের সরকার কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
প্রধানমন্ত্রী বহিরাগত
আজকের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও আক্রমণ করলেন মমতা। তাঁর দাবি, মোদী বলেছেন সব সিটে তিনি প্রার্থী। তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ করুন।
এখানেই শেষ না করে মমতার আরও দাবি, নরেন্দ্র মোদী বহিরাগত। তিনি মন কি বাত-এর মাধ্যমে 'ছোটদের মাথা খাচ্ছেন'।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কী বললেন?
মমতা বলেন, 'গতবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করব বলেছিলাম। করে দেওয়া হয়েছে। এখন ১৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।' পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এটা সারাজীবন চলবে। সবাই পেয়ে যাবেন।
আজ আবার ভোটারদের সতর্ক করেছেন মমতা। তাঁর সতর্কতা, 'কাউকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট দেবেন না। নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট করবেন না। এখন টাকা ঢোকাবে। পরে বাড়িতে ইডি, সিবিআই চলে আসবে।'