Advertisement

Malda Incident Mamata: ‘গুজরাত থেকে বাসে করে লোক ঢুকছে,’ মালদা-কাণ্ডে বিস্ফোরক মমতা

Malda Incident Mamata: 'গুজরাত থেকে বাসে করে লোক আনা হচ্ছে।' মালদার মোথাবাড়ির ঘটনায় এমনই দাবি তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার হরিরামপুরের হাজারীপাড়া মাঠে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাইরের আউটসাইডার, গুজরাত থেকে বাসে করে আনা হচ্ছে।'মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বাইরের আউটসাইডার, গুজরাত থেকে বাসে করে আনা হচ্ছে।'
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Apr 2026,
  • अपडेटेड 1:21 PM IST

Malda Incident Mamata: 'গুজরাত থেকে বাসে করে লোক আনা হচ্ছে।' মালদার মোথাবাড়ির ঘটনায় এমনই দাবি তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার হরিরামপুরের হাজারীপাড়া মাঠে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, 'বাইরের আউটসাইডার, গুজরাত থেকে বাসে করে আনা হচ্ছে।' তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে 'সংখ্যালঘুদের ক্ষেপিয়ে' বাংলায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। শুধু তাই নয়, তাঁর দাবি; সিআরপিএফ-এর গাড়িতে করে টাকা আনা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত ভয়েস রেকর্ডও তাঁর কাছে রয়েছে বলে জানান মমতা।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, মালদার মোথাবাড়ি কাণ্ডে যাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁকে রাজ্যের CID-ই হাতেনাতে ধরেছে, স্থানীয় পুলিশ নয়। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি বাগডোগরা বিমানবন্দর দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। মুম্বই থেকে এসেছিল। মমতা বলেন, বিজেপি মিমকে এ রাজ্যে নিয়ে এসেছে। আইএসএফ-এর সঙ্গেও বিজেপি যুক্ত বলে অভিযোগ তোলেন। মালদার ঘটনার পিছনে বিজেপি ও কংগ্রেসেরও উস্কানি রয়েছে বলে দাবি করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'এনআইএ আসার আগেই আমাদের সিআইডি তাকে গ্রেফতার করেছে।' তাঁর অভিযোগ, বিহারের ভোটেও ঠিক একইভাবে মিম-এর মতো দল ভোট কেটে বিজেপিকে জিততে সাহায্য করেছিল। 

উল্লেখ্য, মালদার ঘটনায় তদন্তে ইতিমধ্যেই নেমেছে National Investigation Agency। শুক্রবার সকালে সংস্থার প্রধান তদন্তকারী আধিকারিক IG সোনিয়া সিং মালদায় পৌঁছেছেন।  

উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রমন এ দিন জানান,  মালদায় মোট ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে। ৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী মোফাক্কেরুল ইসলাম এই ঘটনার 'মূল ইন্ধনকারী'। তাঁকে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাইরাল ভিডিয়োতে তাঁকে মানুষকে উস্কানি দিতে দেখা গিয়েছে। সেই সূত্র ধরেই ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও লোকেশন অ্যানালিসিসের মাধ্যমে তাঁকে চিহ্নিত করা হয়। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।

তদন্তকারীদের মতে, ইদানিংকালে এই ধরনের ঘটনায় এখন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালিটিক্স, মোবাইল ডেটা ট্র্যাকিং এবং সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতেই দ্রুত অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।

গ্রেফতারের পর মোফাক্কেরুল ইসলাম ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, তিনি ডিলিটেড ভোটারদের প্রতিবাদে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর গ্রেফতারের একটি ছবিও সামনে এসেছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement